Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজ রেকর্ড ভিড়ের সম্ভাবনা পুরুলিয়ায়

বড়দিন থেকে শুরু করে গত ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত পুরুলিয়ায় ব্যাপক ভিড় জমেছিল পর্যটকদের। তারপর থেকে পর্যটন ব্যবসায় কিছুটা ভাটা পড়ে। সেই ঘাটতি এবার মিটল। ২৩ জানুয়ারি থেকেই পর্যটকদের ঢল নামে পুরুলিয়ায়।

আজ রেকর্ড ভিড়ের সম্ভাবনা পুরুলিয়ায়
  • ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: বড়দিন থেকে শুরু করে গত ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত পুরুলিয়ায় ব্যাপক ভিড় জমেছিল পর্যটকদের। তারপর থেকে পর্যটন ব্যবসায় কিছুটা ভাটা পড়ে। সেই ঘাটতি এবার মিটল। ২৩ জানুয়ারি থেকেই পর্যটকদের ঢল নামে পুরুলিয়ায়। যেভাবে পর্যটক আসছেন তাতে আজ ২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসে রেকর্ড ভিড়ের আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। অধিকাংশ হোটেল, হোম স্টে ইতিমধ্যেই হাউসফুল বলে জানাচ্ছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। পুরুলিয়া ডিস্ট্রিক্ট হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহিত লাটা বলেন, ৫জানুয়ারির পর থেকে পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকলেও হোটেলগুলিতে ভিড় সেভাবে হচ্ছিল না। তবে ২৩ জানুয়ারি থেকে ফের ভিড় জমে উঠেছে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত হোটেলগুলির অধিকাংশই ভর্তি হয়ে গিয়েছে। হোটেল মালিক সংগঠনগুলির দাবি, রাজ্য পর্যটন মানচিত্রে প্রথম সারিতে রয়েছে পুরুলিয়া। গত কয়েক বছর ধরেই শীতের মরশুমে অযোধ্যায় পর্যটকদের আনাগোনা ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার অযোধ্যায় ভিড় ছিল দেখার মতো। শনিবার বিকেল থেকেই যেভাবে পর্যটক ঢুকছেন তাতে রবিবার রেকর্ড ভিড় একপ্রকার নিশ্চিত। তবে, ভিড় থাকলেও তার প্রভাব বেচাকেনায় পড়ছে না বলে আক্ষেপ মুখোশ শিল্পীদের। মুখোশ শিল্পীদের কথায়, যে পরিমাণ পর্যটক আসছেন, সেই হারে মুখোশ বিক্রি হচ্ছে না। অনেকে দরদাম করেই চলে যাচ্ছেন। ২৫০টাকার মুখোশ পেতে চাইছেন ১০০ টাকায়। এমন দাম বলছে, সেই দামে মুখোশ বিক্রি করলে মজুরিও উঠবে না। রবিবার ব্যাপক ভিড় ছিল গুড়ের দোকানগুলিতেও। রাস্তার ধারে রস ফুটিয়ে গুড় তৈরি হচ্ছে দেখে দাঁড়াচ্ছেন বহু পর্যটক। কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়ির জন্য। তবে, পুরুলিয়ায় পর্যটন ব্যবসার প্রসার হলেও এখনও হয়নি রোপওয়ে। পুরুলিয়াকে রাজ্যর পর্যটন মানচিত্রের আরও আকর্ষণীয় করার জন্য রোপওয়ে চালুর যে পরিকল্পনা নিয়েছিল সরকার, তা ফের বাস্তবায়নের দাবি উঠতে শুরু করেছে। তাছাড়া, পুরুলিয়ায় কোথায় কী দেখার আছে, কোন পথে যেতে হবে, কোথায় থাকার জায়গা পাওয়া যাবে, এইসমস্ত বিষয়ে মুশকিলে পড়েন পর্যটকরা। তাই পর্যটকদের সুবিধার জন্য পুরুলিয়া স্টেশনে একটি ট্যুরিজম ইনফরমেশন সেন্টার চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। অযোধ্যা পাহাড়ের পাদদেশে পর্যটকদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার চালু হবে বলেও প্রতিশ্রুতি মিলেছিল। পাশাপাশি, সেচদপ্তরের অধীনে যত জলাধার আছে, তাতে বোটিং চালুরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কথা ছিল, অযোধ্যা পাহাড়ে ওঠার চারটি রাস্তাতেই গেট বসানো হবে। তবে সেসবের কিছুই বাস্তবায়ন হয়নি আজও। ভাবনার স্তরেই আটকে গিয়েছে। কবে এগুলি চালু হবে, তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
 
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ