সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: প্রতীক্ষার অবসান। আজ, মঙ্গলবার কুশমণ্ডি কমিউনিটি হলের উদ্বোধন করবেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। দু’বছর ধরে কমিউনিটি হল তৈরি হয়ে পড়েছিল উদ্বোধনের অপেক্ষায়। ৪ জানুয়ারি ‘বর্তমান’ পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসে দপ্তর। কমিউনিটি হলের একাংশ কাজ বাকি থাকায় কাজের গতি আসে। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কুশমণ্ডি সদরে ৩০০ আসন বিশিষ্ট কমিউনিটি হল তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা বরাদ্দে কমিউনিটি হলের কাজ শুরু করে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর। কুশমণ্ডি ব্লক লোকসংস্কৃতির পীঠস্থান। মুখানাচ থেকে খনপালা ও গম্ভীরার মতো জনপ্রিয় লোকসংস্কৃতি চর্চা হয় এখানে। কুশমণ্ডির নাটকের দলের সুনাম রয়েছে রাজ্যজুড়ে।
Advertisement
রাজ্য তথা দেশজুড়ে লোকশিল্পীরা তাঁদের প্রতিভাকে ছড়িয়ে দিতে পারলেও শিল্প চর্চায় জায়গার অভাব ছিল। যা এখন পূরণ হওয়ার অপেক্ষায়। কমিউনিটি হল চালু হলে শিল্পীদের সুবিধা হবে।
নতুন প্রজন্ম শিল্প চর্চায় এগিয়ে আসবে। মনে করছেন এলাকার লোকশিল্পী ও নাট্যকাররা।
উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর এখনও কুশমণ্ডি পঞ্চায়েত সমিতিকে কমিউনিটি হল হস্তান্তর করেনি। পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রেজা জাহির আব্বাস বলেন, কুশমণ্ডি কমিউনিটি হল হস্তান্তর হয়নি। হলটি চালু হলে নাট্যচর্চার সুযোগ আরও বাড়বে। কুশমণ্ডি কমিউনিটি হলের উদ্বোধনের খবরে খুশি কুশমণ্ডি নাট্যব্যক্তিত্ব সুরজিৎ ঘোষ। তবে একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, আমরা নাটক মঞ্চস্থ করতে পারব কি না, মঞ্চ না দেখলে বোঝা যাবে না। উদ্বোধনের পরই সবটা পরিষ্কার হবে।
নতুন প্রজন্ম শিল্প চর্চায় এগিয়ে আসবে। মনে করছেন এলাকার লোকশিল্পী ও নাট্যকাররা।
উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর এখনও কুশমণ্ডি পঞ্চায়েত সমিতিকে কমিউনিটি হল হস্তান্তর করেনি। পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রেজা জাহির আব্বাস বলেন, কুশমণ্ডি কমিউনিটি হল হস্তান্তর হয়নি। হলটি চালু হলে নাট্যচর্চার সুযোগ আরও বাড়বে। কুশমণ্ডি কমিউনিটি হলের উদ্বোধনের খবরে খুশি কুশমণ্ডি নাট্যব্যক্তিত্ব সুরজিৎ ঘোষ। তবে একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, আমরা নাটক মঞ্চস্থ করতে পারব কি না, মঞ্চ না দেখলে বোঝা যাবে না। উদ্বোধনের পরই সবটা পরিষ্কার হবে।



