সংবাদদাতা, পতিরাম: শিশুদের জন্য উনুনে রান্না করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হলেন অঙ্গনওয়াড়ির এক কর্মী। তাঁকে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বালুরঘাটের চিঙ্গিসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙ্গাপাড়ার একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ঘটনা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ওই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর নাম কৃষ্ণা শীল (৫৫)। বাড়ি বালুরঘাটের চিঙ্গিসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্গাপুর এলাকায়।
Advertisement
জানা গিয়েছে, প্রায় ন’মাস ধরে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে হেল্পার নেই। হেল্পার অবসর নিয়েছেন। শিশুদের পড়ানোর পাশাপাশি শিশু ও মায়েদের জন্য নিজেই রান্না করেন। শুক্রবারও সকালে উনুনে রান্না করছিলেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। অসাবধানতাবশত তাঁর শাড়ি ও উলের চাদরে আগুন লেগে যায়। চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসতে আসতেই শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে ওই মহিলার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এখন তিনি বালুরঘাট হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।
এ বিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও রাজস্ব) হারিশ রাসিদ বলেন, ওই মহিলার চিকিৎসার যাবতীয় বিষয় প্রশাসনের তরফে দেখা হবে। কেন একাই কাজ করতেন, সেই বিষয়টিও দেখা হচ্ছে।
জখম ওই মহিলার ছেলে সুদর্শন শীল বলেন, আমার মায়ের কেন্দ্রে প্রায় ন’মাস ধরে হেল্পার নেই। পড়ানোর পাশাপাশি রান্নাও মা নিজে হাতে করতেন। আজ রান্না করতে গিয়ে এই ঘটনা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মায়ের শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। সারাবাংলা অঙ্গনওয়াড়ি ও সহায়িকা কর্মী সমিতির উপদেষ্টা তথা জেলার আরএসপির সাধারণ সম্পাদিকা সুচেতা বিশ্বাস বলেন, জেলাজুড়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির বেহাল দশা। পর্যাপ্ত কর্মী নেই। কর্মী থাকলেও হেল্পার নেই। রান্নার জন্য গ্যাসের ব্যবস্থা নেই। উনুনে রান্না করতে হয়। প্রশাসন এই বিষয়গুলি না দেখলে আরও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জখম মহিলার জামাই অশোক সরকার বলেন, মায়ের অবস্থা ভালো নেই। আমরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি।
এ বিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও রাজস্ব) হারিশ রাসিদ বলেন, ওই মহিলার চিকিৎসার যাবতীয় বিষয় প্রশাসনের তরফে দেখা হবে। কেন একাই কাজ করতেন, সেই বিষয়টিও দেখা হচ্ছে।
জখম ওই মহিলার ছেলে সুদর্শন শীল বলেন, আমার মায়ের কেন্দ্রে প্রায় ন’মাস ধরে হেল্পার নেই। পড়ানোর পাশাপাশি রান্নাও মা নিজে হাতে করতেন। আজ রান্না করতে গিয়ে এই ঘটনা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মায়ের শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। সারাবাংলা অঙ্গনওয়াড়ি ও সহায়িকা কর্মী সমিতির উপদেষ্টা তথা জেলার আরএসপির সাধারণ সম্পাদিকা সুচেতা বিশ্বাস বলেন, জেলাজুড়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির বেহাল দশা। পর্যাপ্ত কর্মী নেই। কর্মী থাকলেও হেল্পার নেই। রান্নার জন্য গ্যাসের ব্যবস্থা নেই। উনুনে রান্না করতে হয়। প্রশাসন এই বিষয়গুলি না দেখলে আরও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জখম মহিলার জামাই অশোক সরকার বলেন, মায়ের অবস্থা ভালো নেই। আমরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি।



