Bartaman Logo
৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আবর্জনা সংগ্রহে নজরদারিই লক্ষ্য, বাড়ি বাড়ি কিউআর কোড চালু করছে রাজ্য

কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করতে চলেছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। রাজ্যের ১২৮টি পুর এলাকায় প্রতিটি বাড়ি, কারখানা, দোকান, রেস্তরাঁর দরজা বা গেটে কিউআর কোড সেঁটে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আবর্জনা সংগ্রহে নজরদারিই লক্ষ্য, বাড়ি বাড়ি কিউআর কোড চালু করছে রাজ্য
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করতে চলেছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। রাজ্যের ১২৮টি পুর এলাকায় প্রতিটি বাড়ি, কারখানা, দোকান, রেস্তরাঁর দরজা বা গেটে কিউআর কোড সেঁটে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহের সময় সাফাইকর্মীরা সেই কোড স্ক্যান করে নিজেদের মোবাইল ব্যবহার করে অনালাইনে রিপোর্ট জমা দেবেন। রিপোর্টে তাঁরা জানাবেন, আনাজের খোসা, উচ্ছিষ্টের মতো পচনশীল বর্জ্য এবং প্লাস্টিকের মতো অপচনশীল বর্জ্য আলাদা আলাদা করে দেওয়া হচ্ছে কি না। যদি না দেওয়া হয় তাহলে নির্দিষ্ট বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করা হবে না। আবর্জনা না নেওয়ার কারণও জানিয়ে দেওয়া হবে। আবার আবর্জনা গাড়িতে না ফেলে বাড়ির বাইরে যত্রতত্র ফেলে রাখলেও কিউআর কোড স্ক্যান করে অভিযোগ জানাতে পারবেন সাফাইকর্মী। একই সঙ্গে আবর্জনা সংগ্রহের গাড়িতেও জিপিএস লাগানো থাকবে, যা ব্যবহার করে সমস্ত এলাকায় গাড়ি যাচ্ছে কি না, তার উপর নজরদারি চালানো হবে। মঙ্গলবার পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘আমরা চাই এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে। সেই কারণে এই উদ্যোগ।’ একই সঙ্গে ২০২৭ সালের মধ্যে জমে থাকা কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশনের টার্গেট নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, উৎসেই বর্জ্য পৃথকীকরণের জন্য দু’টি করে পৃথক রঙের বালতি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরো বালতি দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। 

Advertisement

মঙ্গলবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে মলমূত্র ত্যাগ, থুতু ফেলা ও আবর্জনা ফেললে জরিমানা নেওয়া চালু হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য, ‘এই উদ্যোগ রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য নয়। মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।’ এ সংক্রান্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুরসচিব খলিল আহমেদ এবং সুডা’র ডিরেক্টর নবীন চন্দ্র। খলিল আহমেদ জানিয়েছেন, রাজ্যের পুর এলাকায় প্রয়োজন মতো কমিউনিটি শৌচাগার গড়ে তোলা হবে। নবীনবাবু জানান, আজ, মঙ্গলবার থেকে যে জরিমানা আদায় হবে, তা সম্পূর্ন অনলাইন মাধ্যমে জমা পড়বে। পরবর্তীতে হাতে হাতে জরিমানার চালান কাটার ব্যবস্থাও চালু হবে। তবে এই বাবদ আদায় হওয়া টাকা জমা পড়বে সংশ্লিষ্ট পুরসভার অ্যাকাউন্টে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ