Bartaman Logo
১৩ জুন, ২০২৬

মিলছে শুধু দেহাংশ, ক্ষুব্ধ মৃতদের পরিবার-পরিজন

বিস্ফোরণের অভিঘাতে পুড়ে দলা পাকিয়ে গিয়েছে অধিকাংশ দেহ। মৃতদেহ শনাক্ত করতে চলছে ডিএনএ প্রোফাইলিং। শুক্রবার থেকেই আমেদাবাদের সিভিল হাসপাতালে ভিড় জমিয়েছেন মৃতদের পরিবারের সদস্যরা।

মিলছে শুধু দেহাংশ, ক্ষুব্ধ মৃতদের পরিবার-পরিজন
  • ১৬ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

আমেদাবাদ: বিস্ফোরণের অভিঘাতে পুড়ে দলা পাকিয়ে গিয়েছে অধিকাংশ দেহ। মৃতদেহ শনাক্ত করতে চলছে ডিএনএ প্রোফাইলিং। শুক্রবার থেকেই আমেদাবাদের সিভিল হাসপাতালে ভিড় জমিয়েছেন মৃতদের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেই ডিএনএ মিলিয়ে শনাক্ত করা হচ্ছে দেহ। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেহাংশ ছাড়া কিছুই মিলছে না। এদিকে পুরো দেহ না পাওয়া পর্যন্ত হাসপাতাল ছাড়তে রাজি নন মৃতদের পরিবার। আমেদাবাদ বিমান বিপর্যয়ের পর থেকে এমনই দৃশ্য ধরা পড়েছে সিভিল হাসপাতালে। 

Advertisement

পোস্টমর্টেম রুমের বাইরে ব্যাগের মধ্যে দেহ সংরক্ষণ করে রেখেছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা। প্রিয়জনের দেহ ফিরে পাওয়ার আশায় দিনরাত অপেক্ষা করছেন আত্ময়ীরা। দ্রুত গতিতে ডিএনএ প্রোফাইলিং করতে গিয়ে একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি একটি বডি ব্যাগে দু’টি মুণ্ড উদ্ধার করা হয়। যার জেরে ফের দ্বিতীয়বার ডিএনএ পরীক্ষা করতে বাধ্য হন চিকিৎসকরা। সিভিল হাসপাতালের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, ‘দুই ব্যক্তির দেহাংশ এক ব্যাগে থাকা উচিত নয়। আরও একবার পরীক্ষা করতে হবে।’ হাসাপাতলের আধিকারিকদের কাছে পুরো দহে ফেরানোর কাতর আর্জি জানাচ্ছে মৃতদের পরিবার। তবে অনেক সময় তা সম্ভব হচ্ছে না। তাঁদের সান্ত্বনা দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এক আধিকারিকের কথায়, ‘একাধিক ক্লিনিক্যাল প্রোটোকল তৈরি করা হয়েছে। দেহাংশ পৃথক বডি ব্যাগে রাখা হচ্ছে। সেই অবস্থায় সেগুলিকে রাখা হচ্ছে কোল্ড স্টোরেজে। তারপর পরীক্ষা শেষে কফিনে করে পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে সবক্ষেত্রে পুরো দেহ উদ্ধার করা যায়নি। আগুনে অনেক দেহ পুড়ে দলা পাকিয়ে গিয়েছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ