চণ্ডীগড়: সুখবীর সিং বাদলের উপর হামলার আগের দিনও অমৃতসরের স্বর্ণমন্দির চত্বরে ঘোরাফেরা করেছিলেন অভিযুক্ত খালিস্তানি জঙ্গি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে একথা জানিয়েছে পুলিস। বুধবার জঙ্গির গুলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে রক্ষা পেয়েছিলেন পাঞ্জাবের প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী বাদল। তবে এজন্য শিখ সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ সংস্থা ‘অকাল তখতে’র দেওয়া সাজা পালনে ছেদ টানেননি তিনি। বৃহস্পতিবারও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় রূপনগরের তখত কেশগড় সাহিব গুরুদ্বারে ‘সেবা’ পালন করেন শিরোমণি অকালি দলের প্রধান। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী তথা ভাতিন্দার সাংসদ হরসিমরত কাউর বাদল এবং পুত্র অনন্তবীর সিং বাদল।
Advertisement
২০১৫ সালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডেরা সাচা সৌদার প্রধান গুরমিত রামরহিমকে ‘সুবিধা’ পাইয়ে দেওয়ার ওঠে বাদলের বিরুদ্ধে। সেই প্রেক্ষিতে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রতীকী শাস্তি দিয়েছিল ‘অকাল তখত’। তাঁকে স্বর্ণমন্দির সহ একাধিক গুরুদ্বারে সাফাই কর্মে শামিল হওয়ার নিদান দেওয়া হয়। এই সাজা পালনের জন্য বুধবার স্বর্ণমন্দিরে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন বাদল। পুলিসের তৎপরতায় রক্ষা পান তিনি। ঘটনায় খালিস্তানি জঙ্গি নারায়ণ সিং চৌরাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবারও দীর্ঘক্ষণ স্বর্ণমন্দির চত্বরে ছিলেন চৌরা। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে সেই দৃশ্য ধরা পড়েছে। অমৃতসরের এডিসিপি হরপাল সিং একথা জানিয়েছেন।
বাদলের উপর আক্রমণের কারণ জানতে সবদিক খতিয়ে দেখছে পুলিস। দফায় দফায় ধৃতকে জেরা করা হচ্ছে। এবিষয় অমৃতসরের পুলিস কমিশনার গুরপ্রীত সিং ভুল্লার বলেন, ‘কোন মানসিকতা থেকে সুখবীর বাদলের উপর হামলা চালিয়েছিলেন চৌরা? এর পিছনে কোনও সংগঠন বা রাজনৈতিক অভিসন্ধি ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে সহানুভূতি অর্জনের চেষ্টার বিষয়টিও আমাদের নজরে রয়েছে।’
বাদলের উপর আক্রমণের কারণ জানতে সবদিক খতিয়ে দেখছে পুলিস। দফায় দফায় ধৃতকে জেরা করা হচ্ছে। এবিষয় অমৃতসরের পুলিস কমিশনার গুরপ্রীত সিং ভুল্লার বলেন, ‘কোন মানসিকতা থেকে সুখবীর বাদলের উপর হামলা চালিয়েছিলেন চৌরা? এর পিছনে কোনও সংগঠন বা রাজনৈতিক অভিসন্ধি ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে সহানুভূতি অর্জনের চেষ্টার বিষয়টিও আমাদের নজরে রয়েছে।’



