সংবাদদাতা, চাঁচল: অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব পাঁচটি পরিবার। শুক্রবার রাতে চাঁচল ২ ব্লকের নদাপাড়ার সিদ্দিক আলি ও তাঁর চার ছেলের বাড়ি এক নিমেষে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ওই আগুনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা মাম্পি খাতুনের বইখাতা ও রেজিস্ট্রেশন কার্ডও পুড়ে গিয়েছে। ১০ দিন বাদেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন হাসিনা খাতুন। বিয়ের জন্য মজুত করা হয়েছিল খাদ্যশস্য থেকে শুরু করে টাকা ও গয়না। সব পুড়ে শেষ। এমনটাই দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের। জানা গিয়েছে, টিনের ওই বাড়িগুলিতে হঠাত্ আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে রাতেই চাঁচল থেকে দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরনের পোশাক ছাড়া পরিবারগুলি কিছুই বাঁচাতে পারেনি। আগুন নেভাতে গিয়ে পরিবারের সদস্য নিহার বিবি ও পিন্টু আলি আহত হয়েছেন। উনুন থেকেই আগুন ছড়িয়েছে বলে দমকলকর্মীরা সন্দেহ করেছেন। শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলি দেখতে যান মালতীপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি, চাঁচল ২ এর বিডিও শান্তনু চক্রবর্তী ও চাঁচল থানার আইসি পুর্ণেন্দু কুণ্ডু। থানা, ব্লক প্রশাসন ও বিধায়কের তরফে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে পরিবারগুলিকে। পুলিস জানায়, পরিবারগুলি বিপুল পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বাড়ির গৃহকর্তা সিদ্দিক আলি বলেন, চার ছেলের সবকিছুই পুড়ে নষ্ট। বিয়ের আয়োজনের সব মালপত্র পুড়ে গিয়েছে। এখন কী করব, বুঝতে পারছি না। বিধায়ক বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছি। সরকারি সাহায্য পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর বইখাতা কিনে দেওয়া পরিকল্পনা হয়েছে।



