চিকিৎসার কোনো খরচ পাননি চোরবাগানের ঘটনায় গুরুতর জখম আদৃজা, দাবি পরিবারের
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বজবজ: উত্তর কলকাতার চোরবাগানে পিসি-পিসেমশাই ও পিসতুতো ভাইয়ের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে গিয়েছিলেন মহেশতলায় সন্তোষপুর কো-অপারেটিভ কলোনির বাসিন্দা আদৃজা দত্ত। তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এম এ পড়ুয়া। ঘটনার দিন পদপিষ্ট হন। 

Advertisement

হুড়োহুড়িতে আদৃজা পড়ে যেতেই, তাঁর উপর হুমড়ি খেয়ে পড়েন একে একে তিনজন স্থূলকায় মহিলা ও পুরুষ। এমনকি, এক কিশোরও তাঁর উপর পড়েছিল। তাতে তাঁর দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। কোমরে ও পায়ে ভয়ংকর যন্ত্রণা হয় তাঁর। নির্ঘাত মৃত্যু জেনেও মনের জোরে লড়াই ছাড়েননি। শেষে কয়েকজনের চেষ্টায় তাঁকে ওঠনো গেলেও হাঁটতে পারছিলেন না। পায়ে ও কোমরে মারাত্মক আঘাত ও যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন তিনি। 
এরপর তাঁকে ভরতি করা হয় মোমিনপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে। সপ্তাহখানেক সেখানে ছিলেন। ছাড়া পেলেও হাঁটতে পারছিলেন না। আদৃজার বাবা অভিজিৎ দত্ত বলেন, বসার পর উঠতে গেলেই শিড়দাঁড়ায় টান ধরছে। ঘটনার পর একদিনই আলিপুর থানা থেকে খোঁজ নিয়েছিল। তারপর প্রশাসন ও পুলিস এই ব্যাপারে আর আগ্রহ দেখায়নি। এজন্য মনে মনে খুব আহত হয়েছেন আদৃজা ও তিনি। 
অভিজিৎ দত্ত বলেন, সরকারই ঘোষণা করেছিল যে চিকিৎসার খরচ তারাই বহন করবে। কিন্তু তা হয়নি।  ইতিমধ্যে মহেশতলা পুরসভার সিআইসি সদস্য তাপস হালদার কয়েক দফায় আদৃজার বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন।