নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নিয়ন্ত্রক বিশ্ববিদ্যালয় বাবা সাহেব আম্বেদকর এডুকেশন ইউনিভার্সিটির (বিএসএইইউ) বিরুদ্ধেই মারাত্মক অভিযোগ আনছেন বেসরকারি বিএড কলেজগুলির কর্তারা। শনিবার পুরাতন মালদহের একটি হোটেলে বৈঠকে বসেছিলেন উচ্চশিক্ষা দপ্তরের তরফে শোকজ পাওয়া প্রায় ৪৩২টি কলেজের প্রতিনিধিরা। তাঁদের অভিযোগ, টিচার এডুকেশনের নিয়ামক সংস্থা এনসিটিই শিক্ষক না থাকার কারণে শোকজ করেছিল বিশ্ববিদ্যালয়কে। তা সত্ত্বেও নিজেদের অধীন ডেভিড হেয়ার ট্রেনিং কলেজে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে পড়ুয়া ভরতি প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা। সেক্ষেত্রে বেসরকারি কলেজগুলিতে কেন পড়ুয়া ভরতি বন্ধ রাখা হবে, এই প্রশ্ন তাঁদের।
কয়েক মাস আগে এনসিটিই শোকজ করেছিল বিএসএইইউকে। তার উত্তরও দিয়েছিল তারা। তবে, তাতেও সন্তুষ্ট হয়নি এনসিটিই। কারণ, বি এড এবং এম এড কোর্সের শিক্ষকদের তালিকা এবং তাঁদের বেতন প্রদানের ব্যাংক ডিটেইলস দেওয়া হয়নি। আসলে পর্যাপ্ত শিক্ষকই নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ট্রেনিং কলেজে। এক কর্তা জানান, শিক্ষক নিয়োগ শুরু হয়েছে। তবে স্থায়ী শিক্ষক নয়, চুক্তিভিত্তিক পূর্ণ সময়ের শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। এনসিটিই-র কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হবে না। এক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির বক্তব্য, তারাও তাদের পরিকাঠামো এবং ফ্যাকাল্টি ঢেলে সাজতে চায়। সেক্ষেত্রে তাদের সময় দেওয়া হোক। যেভাবে সরকারি কলেজে ভরতি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে, সেভাবে তাদেরও পড়ুয়া ভরতি নেওয়ার অনুমতি দিক উচ্চশিক্ষা দপ্তর। তবে কলেজে ভরতি বন্ধ করে দেওয়া কোনও সমাধান নয় বলেই দাবি তাদের।