সংবাদদাতা, কাঁথি: মুখ্যমন্ত্রী দীঘার উন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলেছিলেন। দীঘা ও শঙ্করপুরের সামগ্রিক উন্নয়ন ও পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠক করল দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থা(ডিএসডিএ)। রবিবার ডিএসডিএ অফিসে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডিএসডিএর চেয়ারম্যান তথা জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, জেলার পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা, এলাকার বিধায়ক চন্দ্রশেখর মণ্ডল সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা। আগামী ১৬জুলাই রথযাত্রা। জগন্নাথ মন্দিরে দ্বিতীয় বছরের রথযাত্রার প্রস্তুতি নিয়েও বৈঠক হয়। উৎসবের প্রস্তুতি যেন একদম নিখুঁত হয়, সেব্যাপারে জোর দেওয়া হয়। প্রশাসন এবং গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের আধিকারিকরা এখানে উপস্থিত ছিলেন। কোন বিভাগের কী দায়িত্ব থাকবে, তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়।
জানা গিয়েছে, দীঘা এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলিতে পথবাতি নেই। সেখানে আধুনিক মানের পথবাতি বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে দীঘার রাস্তা সংস্কার ও সম্প্রসারণের কাজ চলছে। সেই কাজ দ্রুত শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়। তারপরই বসানো হবে পথবাতি। দীঘা সায়েন্স সেন্টারের পর থেকে ওড়িশা বর্ডার পর্যন্ত রাস্তার পাশে বাতিস্তম্ভ রয়েছে। কিন্তু, অধিকাংশ বাতিস্তম্ভেই আলো জ্বলে না। রথযাত্রার আগে প্রতিটি জায়গায় পথবাতি বসানো হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। দীঘায় সমুদ্রসৈকতের সঙ্গে সংযোগকারী কয়েকটি রাস্তা এখনো বেহাল রয়েছে। সেই রাস্তাগুলি সংস্কারের পাশাপাশি নতুন করে সাজিয়ে তোলা হবে। বর্ষাকাল এসে গিয়েছে। বর্ষায় নিকাশি সমস্যা যাতে না হয় তার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। গতবছর ভারী বৃষ্টিতে জগন্নাথ মন্দিরের সামনের রাস্তায় হাঁটুসমান জল জমে গিয়েছিল। এবছর যাতে সেই পরিস্থিতি না হয়, সেব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সহ স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়। দীঘায় সুষ্ঠু নিকাশি এবং সৈকতশহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উপর জোর দেওয়া হয়।



