নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: পাঞ্জিপাড়ায় পুলিসকে গুলি করে বন্দি পালানোর ঘটনার জের। বৃহস্পতিবার কোনও বিচারাধীন বন্দিকে সশরীরে পেশ করা হল না মালদহ জেলা আদালতে। আদালত চত্ত্বরের নিরাপত্তা বাড়াতে এদিন মোতায়েন করা হয়েছিল বাড়তি পুলিস।
Advertisement
মালদহ সিজেএম কোর্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসেকিউটর দেবজ্যোতি পাল বৃহস্পতিবার বলেন, জিআরও অফিস থেকে আমাকে জানানো হয় বুধবার যেহেতু একটা ঘটনা ঘটেছে, এদিন কোনও বন্দিকে আদালতে পেশ করা হবে না। বরং বন্দিদের পরিবর্তে তাদের ফাইল পেশ করা হবে আদালতের কাছে। সম্ভবত নিরাপত্তার কারণে জেল কর্তৃপক্ষ কোনও বন্দিকে এদিন পেশ করেনি।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহ জেলায় এই মুহূর্তে একটাই সংশোধনাগার রয়েছে। ইংলিশবাজার শহরের এক প্রান্তে রয়েছে এই সংশোধনাগার। চাঁচল মহকুমায় জেলার আরেকটি সংশোধনাগার তৈরি হয়েছে। তবে এখনও উদ্বোধন হয়নি। যার ফলে সেখানে এখন কোনও বন্দি নেই।
মালদহের বেশকিছু বন্দিকে ইংলিশবাজারের পাশাপাশি পাশের জেলা রায়গঞ্জ ও বালুরঘাটের সেন্ট্রাল জেলে রাখা হয় বলে সরকারি আইনজীবী জানান। বিচারাধীন বন্দিদের এদিন আদালতে পেশ করা না হলেও বিচার ব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবেই চলেছে। মালদহ জেলা সংশোধনাগার সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে এখন মহিলা এবং পুরুষ মিলিয়ে প্রায় এক হাজার বন্দি রয়েছেন। দেবজ্যোতি পাল আরও জানান, যেহেতু এদিন বন্দিদের আদালতে পেশ করা হয়নি, তাই ‘ভার্চুয়াল মোডে’ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলার কাস্টোডিয়াল ট্রায়াল হয়েছে।
সংশোধনাগারের এক কর্তা জানান, বন্দিদের আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিসকে অনুরোধ করা হয়। কতজন বন্দিকে আদালতে পেশ করা হবে, সেই অনুযায়ী পুলিস ও প্রশাসনের তরফে প্রিজন ভ্যান দেওয়া হয়। তবে এদিন বন্দিদের আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনও গাড়ি দেওয়া হয়নি।
রায়গঞ্জ জেলা সংশোধনাগার থেকেও কোনও বিচারাধীন বন্দিকে এদিন রায়গঞ্জ বা ইসলামপুর আদালতে হাজির করা হয়নি বলে জানিয়েছেন জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সায়ন চৌধুরী। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানি হয়েছে তাদের। তবে বিভিন্ন থানায় ধৃতদের আদালতে হাজির করা হয়েছিল।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহ জেলায় এই মুহূর্তে একটাই সংশোধনাগার রয়েছে। ইংলিশবাজার শহরের এক প্রান্তে রয়েছে এই সংশোধনাগার। চাঁচল মহকুমায় জেলার আরেকটি সংশোধনাগার তৈরি হয়েছে। তবে এখনও উদ্বোধন হয়নি। যার ফলে সেখানে এখন কোনও বন্দি নেই।
মালদহের বেশকিছু বন্দিকে ইংলিশবাজারের পাশাপাশি পাশের জেলা রায়গঞ্জ ও বালুরঘাটের সেন্ট্রাল জেলে রাখা হয় বলে সরকারি আইনজীবী জানান। বিচারাধীন বন্দিদের এদিন আদালতে পেশ করা না হলেও বিচার ব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবেই চলেছে। মালদহ জেলা সংশোধনাগার সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে এখন মহিলা এবং পুরুষ মিলিয়ে প্রায় এক হাজার বন্দি রয়েছেন। দেবজ্যোতি পাল আরও জানান, যেহেতু এদিন বন্দিদের আদালতে পেশ করা হয়নি, তাই ‘ভার্চুয়াল মোডে’ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলার কাস্টোডিয়াল ট্রায়াল হয়েছে।
সংশোধনাগারের এক কর্তা জানান, বন্দিদের আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিসকে অনুরোধ করা হয়। কতজন বন্দিকে আদালতে পেশ করা হবে, সেই অনুযায়ী পুলিস ও প্রশাসনের তরফে প্রিজন ভ্যান দেওয়া হয়। তবে এদিন বন্দিদের আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনও গাড়ি দেওয়া হয়নি।
রায়গঞ্জ জেলা সংশোধনাগার থেকেও কোনও বিচারাধীন বন্দিকে এদিন রায়গঞ্জ বা ইসলামপুর আদালতে হাজির করা হয়নি বলে জানিয়েছেন জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সায়ন চৌধুরী। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানি হয়েছে তাদের। তবে বিভিন্ন থানায় ধৃতদের আদালতে হাজির করা হয়েছিল।



