Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আঁধার ছাপিয়ে কালিয়াচকের আলোর ইতিহাস বইমেলায়

আঁধার ছাপিয়ে কালিয়াচকের আলোর ইতিহাস বইমেলায়
  • ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, মালদহ: গুলি, বোমা, খুন, মাদক, জালনোটের কারবার নয়, রবিবার মালদহ বইমেলায় অন্যরূপে পরিচিত হল কালিয়াচক। ওই এলাকার একদল শিক্ষিত তরুণ নিজস্ব উদ্যোগে এদিন প্রকাশ করেন কালিয়াচক সংক্রান্ত একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকার। কালিয়াচকের বিস্তীর্ণ এলাকার সংস্কৃতি, ইতিহাস, রাজনীতি, শিল্পের বিভিন্ন দিক যেভাবে ‘কলমে কালিয়াচক’ শীর্ষক ওই পত্রিকায় তুলে ধরা হয়েছে, তাতে উচ্ছ্বসিত মালদহের বিদ্বজনেরা। গবেষণাধর্মী একগুচ্ছ প্রবন্ধ ও নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে পত্রিকাটির প্রথম সংখ্যাটিতে।
Advertisement
এদিনের ওই ত্রৈমাসিক পত্রিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ তথা বঙ্গরত্ন শক্তিপদ পাত্র, দক্ষিণ দিনাজপুরের একটি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহাব, মালদহ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী ত্যাগরূপানন্দ, গনিখান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির ডেপুটি রেজিস্ট্রার এমএ রাজ্জাক প্রমুখ। কালিয়াচকের শিক্ষা, সংস্কৃতি ইতিহাস সংক্রান্ত বিভিন্ন আঙ্গিক যেভাবে সদ্যোজাত ওই পত্রিকাটিতে তুলে ধরা হয়েছে, তা অত্যন্ত ইতিবাচক বলে জানান বইমেলা কমিটির অন্যতম যুগ্ম সচিব তথা স্থানীয় গ্রন্থাগার অথরিটির সদস্য প্রসেনজিৎ দাস।
এদিনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রায় সব বক্তাই বলেন, কালিয়াচক মানেই যে শুধু নেতিবাচক দিক নয় তা এই নতুন পত্রিকাটি দক্ষতার সঙ্গে তুলে ধরেছে। নীলচাষ বিরোধী আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে কালিয়াচকের অবদান, সুজাপুর হাইস্কুলে একাধিক কৃতী প্রাক্তনীর ইতিবৃত্ত, গঙ্গা ভাঙনে কালিয়াচকের পরিধি সংক্ষিপ্ত হওয়ার ইতিবৃত্ত সবই তথ্য সহযোগে তুলে ধরা হয়েছে পত্রিকাটিতে। 
ছুটির দিন হওয়ায় দুপুর থেকেই ভিড় জমে বইমেলা প্রাঙ্গণে। চোখে পড়ার মতো ছিল স্কুল পড়ুয়াদের ভিড়। বইয়ের স্টলগুলিতেও এদিন হাজির হন পুস্তকপ্রেমী অনেক মানুষ। 
এদিন শিশু ও কিশোর সাহিত্যের বই বিক্রি দেখে খুশি ব্যবসায়ীরা। গৃহবধূ সুমিতা দাশগুপ্ত বলেন, আমার ছেলে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। কিন্তু আমরা চাই, বাংলার ধ্রুপদী সাহিত্য সংস্কৃতির সঙ্গে যেন তার যোগাযোগ শুরু থেকেই থাকে। তাই পথের পাঁচালি এবং শিবরাম চক্রবর্তী অমনিবাস কিনে দিতে বইমেলায় এসেছি। 
সম্পর্কিত সংবাদ