নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: শ্রীরামপুর শহরের সবক’টি মূল সড়ককে ম্যাস্টিক দিয়ে মুড়ে ফেলার পরিকল্পনা করেছে পুরসভা। শ্রীরামপুর পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থায়ী ও টেকসই রাস্তা তৈরি করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন পুরকর্তারা। তবে এই কাজ ব্যয়বহুল হওয়ায় রাস্তা তৈরির কাজ দফায় দফায় করা হবে বলে ঠিক হয়েছে। এখন প্রথম দফার কাজ চলছে। প্রথম পর্বে প্রায় ২০টি রাস্তায় ম্যাস্টিক করা হবে। পুরকর্তাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরে প্রায় ৮০টি মূল সড়ক আছে। তার সবগুলি আধুনিক পিচ রাস্তা করা হবে। প্রথম পর্বে মূলত প্রধান প্রধান অংশের সঙ্গে সংযোগকারী রাস্তাকে বাছাই করা হয়েছে।
Advertisement
শ্রীরামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান গিরিধারী সাহা বলেন, ম্যাস্টিক রাস্তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। সেকারণে একসঙ্গে শহরের সব রাস্তাকে আমরা ম্যাস্টিক করতে পারব না। দফায় দফায় এই কাজ করা হবে। ওই বিশেষ ধরনের আধুনিক রাস্তা তৈরি ব্যয়বহুল হলেও খুব কার্যকরী। এক এক করে সব রাস্তাই ম্যাস্টিক করা হবে। শ্রীরামপুর শহরে যানবাহনের বাহুল্য আছে। তাই স্থায়ী উন্নয়নের জন্য টেকসই রাস্তা জরুরি। পুরসভার সিআইসি সদস্য সন্তোষ সিং (পাপ্পু) বলেন, মানুষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়ার লক্ষ্যেই আমরা এই কাজ করছি। এটি শ্রীরামপুর পুরসভার অন্যতম স্বপ্নের প্রকল্প। সমাজকর্মী সমীর সাহা বলেন, শ্রীরামপুর হল ঐতিহ্যের শহর। এই শহরে নগরায়নের পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত ও আধুনিক হওয়া উচিত। ম্যাস্টিকের রাস্তার সিদ্ধান্ত সেই নিরিখে বাস্তবসম্মত। এই রাস্তা যেমন টেকসই হবে, তেমনই ভারী গাড়ি চলাচলেও সুবিধা হবে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রকল্পটি ব্যয়বহুল হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই ম্যাস্টিকের রাস্তা তৈরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি পুরকর্তারা। বড় শহর হওয়ায় রাস্তার সংখ্যা বেশি। সেকারণেই এই জটিলতা। সাধারণ পিচ ঢালা রাস্তাগুলি বারবার সংস্কার করতে হচ্ছে। তাতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আবার, রাস্তার অধিকাংশ এলাকায় দোকানের ব্যবহৃত জল এসে পড়ছে রাস্তায়। বিশেষ করে ফাস্টফুড, চায়ের দোকানের আশপাশে এই সমস্যা বেশি। তাতে রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে। এক পুরকর্তা বলেন, ম্যাস্টিক রাস্তার প্রাথমিক ব্যয় বেশি হলেও অনেকদিন সংস্কার করতে হয় না। এই অবস্থায় আধুনিক ও শক্তপোক্ত ম্যাস্টিক রাস্তার প্রকল্পেই শেষপর্যন্ত সিলমোহর পড়েছে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রকল্পটি ব্যয়বহুল হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই ম্যাস্টিকের রাস্তা তৈরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি পুরকর্তারা। বড় শহর হওয়ায় রাস্তার সংখ্যা বেশি। সেকারণেই এই জটিলতা। সাধারণ পিচ ঢালা রাস্তাগুলি বারবার সংস্কার করতে হচ্ছে। তাতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আবার, রাস্তার অধিকাংশ এলাকায় দোকানের ব্যবহৃত জল এসে পড়ছে রাস্তায়। বিশেষ করে ফাস্টফুড, চায়ের দোকানের আশপাশে এই সমস্যা বেশি। তাতে রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে। এক পুরকর্তা বলেন, ম্যাস্টিক রাস্তার প্রাথমিক ব্যয় বেশি হলেও অনেকদিন সংস্কার করতে হয় না। এই অবস্থায় আধুনিক ও শক্তপোক্ত ম্যাস্টিক রাস্তার প্রকল্পেই শেষপর্যন্ত সিলমোহর পড়েছে।



