Bartaman Logo
১৬ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এনসিপিআইকে ‘ন্যাশনাল চিটিজেন পার্টি’, তীব্র কটাক্ষ অধীর চৌধুরীর

অধীর চৌধুরী এনসিপিআইকে ‘ন্যাশনাল চিটিজেন পার্টি’ বলে তীব্র কটাক্ষ করেছেন। রাজনৈতিক মহলে চলছে আলোচনা। বিস্তারিত পড়ুন।

এনসিপিআইকে ‘ন্যাশনাল চিটিজেন পার্টি’, তীব্র কটাক্ষ অধীর চৌধুরীর
  • ১৬ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: একদিন আগে পর্যন্ত ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া কার্যত অপরিচিত ছিল। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই দলকে ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে এনসিপিআই দলকে চিটার দল বলে তীব্র কটাক্ষ করলেন সর্বভারতীয় কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী।

Advertisement

সোমবার মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে এসে অধীরবাবু বলেন, এতদিন ধরে বিজেপি পার্টি বলত, বাংলাদেশ থেকে মানুষ এসেছে। এরা সব ঘুসপেটিয়া। অনুপ্রবেশ নিয়ে অনেক কথা বলা হত। শুধু মানুষ আসেনি। একটা গোটা পার্টি বাংলাদেশ থেকে ঢুকে গেল এখানে! এই এনসিপিআই পার্টি বাংলাদেশে আছে। ফলে এই ঘুসপেটিয়া পার্টি নিয়ে অমিত শাহকে সাবধানে থাকতে হবে। এই নতুন দলবদলু পার্টিকে ন্যাশনাল চিটিজেন পার্টি বলা ভালো। এরা চিটার। সরাসরি বিজেপিতে ঢুকলে জাত থাকবে না। তাই বিজেপির সহোদর ভাই হয়ে থাকার চেষ্টা এদের!
তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে এই এনসিপিআই নিয়ে চর্চা চলছে সর্বত্র। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিদ্রোহী সাংসদরা জানিয়েছেন, তাঁদের গোষ্ঠী এনসিপিআই-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই ঘোষণার পরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে আসলে কী এই এনসিপিআই? কোথা থেকে এল এই দল? এনসিপিআই-এর নামে খোলা একটি ফেসবুক পেজে বিদ্রোহী সাংসদদের স্বাগত জানিয়ে একাধিক পোস্টও করা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, লোকসভায় সাংসদ সংখ্যার বিচারে পশ্চিমবঙ্গে তাঁরাই এখন বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি। এই আবহে ওই বিদ্রোহী সাংসদদেরই কটাক্ষ করছেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা। পাশাপাশি এদিন বহরমপুর পুরসভার গ্ৰুপ-ডি কর্মী শিবানী সাহা ও গীতা চৌধুরীর দীর্ঘদিন ধরে বেতন বন্ধ রাখা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনার ঘটনায় রাজ্যের নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন অধীরবাবু।  চিঠিতে তাঁর অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুন থেকে শিবানী সাহা ও গীতা চৌধুরীর বেতন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং প্রতিহিংসাবশত তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের হয়েছে। শুধু এই দুই কর্মীই নন, বহরমপুর পুরসভার আরও বহু কর্মী একই ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার বলে দাবি করেন অধীরবাবু। এই বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত, বকেয়া বেতন দ্রুত মিটিয়ে দেওয়া এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জানান তিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ