Bartaman Logo
৩১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঘাটতি রয়েছে এমন ৮৭৩টি স্কুলে পাঠানো হবে অতিরিক্ত শিক্ষকদের

পুরুলিয়া জেলার ৮৭৩টি প্রাথমিক স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। জেলায় শিক্ষক কম থাকা স্কুলগুলির তালিকা প্রকাশ করেছে ডিপিএসসি

ঘাটতি রয়েছে এমন ৮৭৩টি স্কুলে পাঠানো হবে অতিরিক্ত শিক্ষকদের
  • ৩১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা,পুরুলিয়া: পুরুলিয়া জেলার ৮৭৩টি প্রাথমিক স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। জেলায় শিক্ষক কম থাকা স্কুলগুলির তালিকা প্রকাশ করেছে ডিপিএসসি। অন্য স্কুলের অতিরিক্ত শিক্ষকদের ওই স্কুলগুলিতে বদলির প্রক্রিয়া শুরু করেছে ডিপিএসসি। যদিও বুধবার বিকাল পর্যন্ত অতিরিক্ত শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশিত হয়নি।পুরুলিয়া ডিপিএসসি সূত্রে জানাগিয়েছে, সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন সার্কেল মিলিয়ে ৮৭৫টি স্কুলের তালিকা প্রকাশ করেছে ডিপিএসসি। ওই সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়ার অনুপাতে শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। ঘাটতি থাকা প্রাথমিক স্কুলগুলির কোনোটিতে ৫ জনের বেশি আবার কোনোটিতে একজন শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। সাঁতুরি মরুলিয়া বেঙ্গলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯ জন শিক্ষক কম। জেলার প্রাথমিক স্কুলগুলির মধ্যে ওই স্কুলটিতে শিক্ষকের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। তবে জেলার একাধিক স্কুলে ৫ জনেরও বেশি শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। আরও জানাগিয়েছে, অতিরিক্তশিক্ষকরা আগস্ট মাসের তিন তারিখের মধ্যে ঘাটতি থাকা স্কুলগুলির মধ্যে তিনটি পছন্দের স্কুলে বদলির আবেদন করতে পারবেন। সেই আবেদনগুলি যাচাই করে তা আগস্ট মাসের ৫ তারিখের মধ্যেই ডিপিএসসিতে জমা দিতে হবে সার্কেল অফিসগুলিকে। তবে অতিরিক্ত শিক্ষকদের পছন্দের তিনটি বিদ্যালয়ে তাঁকে বদলি করা সম্ভব না হলে সে বিষয়ে ডিপিএসসিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে অন্যত্র বদলি করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও কোনোঅতিরিক্ত শিক্ষক যদি নিজের পছন্দের বিদ্যালয়ের তালিকা জমা না দেন, তাহলে ডিপিএসসি ওই শিক্ষককে ঘাটতি থাকা স্কুলগুলির মধ্যে যে কোনো স্কুলে বদলি করতে পারবে।তবে ঘাটতি স্কুলের পাশাপাশিঅতিরিক্ত শিক্ষকদের তালিকা এখনও প্রকাশ না হওয়ায় শিক্ষক মহলে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। সেই সঙ্গে নতুন এসওপি মেনে কম বয়সি শিক্ষকদের বদলির নির্দেশের বিরুদ্ধে ‌঩ইতিমধ্যে জেলার বহু শিক্ষক আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করেছেন বলে জানাগিয়েছে। এবিপিটিএ নেতা নিলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, এরাজ্যে কেন, গোটা দেশেও কোথাও নেই যে তাঁর বায়োলজিক্যাল বয়স হিসাবে অতিরিক্ত শিক্ষক হিসাবে গণ্য করা হচ্ছে। বাম আমলে কিংবা তৃণমূলের আমলেও ওই স্কুলে সবচেয়ে পরে যিনি যোগ দিয়েছেন, তাঁকেই সারপ্লাস শিক্ষক হিসাবে ধরা হতো। এবিপিটি বেআইনি এসওপির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছে। শিক্ষকরাও আলাদাভাবে মামলা করবেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষকের দাবি জানানো হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ