Bartaman Logo
২০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আবাস যোজনার টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকলেও অমিল ইট বালি, সমস্যা

আবাস যোজনার টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকলেও অমিল ইট বালি, সমস্যা
  • ২২ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বালুরঘাট: আবাস যোজনার টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতেই বাড়ি তৈরির তোড়জোড় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে। অমিল ইট, বালি সহ নির্মাণ সামগ্রী। ফলে কাজ শুরু করলেও সামগ্রী না পাওয়ায় কালঘাম ছুটছে উপভোক্তাদের। সুযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা কালোবাজারি শুরু করেছেন। উপভোক্তাদের কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা অগ্রিম ইট, বালির বরাত নিলেও সরবরাহ করতে পারছেন না। ভাটায় ইট থাকলেও খেয়াল খুশি মতো দাম নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মালিকদের তরফে। অন্যদিকে, বালি তোলার অনুমতি না থাকায় চুরি করে যে পরিমাণ বালি তোলা হয়েছে তার চড়া দাম নিচ্ছে মাফিয়ারা। প্রশাসনের তরফে ইটভাটার মালিক সহ ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠক করলেও পরিস্থিতি পাল্টায়নি। বিষয়টি নিয়ে কড়া পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন উপভোক্তারা। 
Advertisement
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আবাস যোজনার নোডাল অফিসার সঞ্জয় পণ্ডিত বলেন, কোনওভাবে যাতে উপভোক্তাদের ঠকানো না হয় সেজন্য আমরা ইটভাটার মালিক ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠক করেছি। তাঁরা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন তাঁদের কাছে ইট প্রচুর রয়েছে। তাঁরা দাম সঠিক নেবেন। বালি চরগুলির টেন্ডার ছাড়া হয়েছে। তারপরেও যদি কালোবাজারি হয় আমরা কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
তৃণমূল কংগ্রেসের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, আমরাও বিষয়টি শুনেছি। উপভোক্তারা নির্মাণ সামগ্রীর মধ্যে ইট আর বালি পাচ্ছেন না। এতে তাঁরা সমস্যায় পড়েছেন। আবার অনেকে কালোবাজারি শুরু করেছে। প্রশাসনের সঙ্গে এনিয়ে আমরা কথা বলে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বলব। জেলা ব্রিকস ওনার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পবন গোয়েঙ্কা বলেন, প্রশাসন আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। আমাদের সব ভাটায় ইট রয়েছে। কারা কালোবাজারি করছে জানা নেই। আমরা প্রশাসনকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি আমরা দাম বৃদ্ধি করব না।
এতদিন আবাসের টাকা না পাওয়ায় উপভোক্তারা আশায় দিন গুণছিলেন কবে টাকা ঢুকবে। এবারে সেই টাকা ঢোকার পরেও মাথায় হাত পড়েছে। এদিকে, প্রশাসনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুত প্রথম কিস্তির টাকা দিয়ে কাজ শেষ করতে হবে। অনেকে ভিত পুজো করে বাড়ির কাজ শুরু করে বিপাকে পড়েছেন। অগ্রিম টাকা হার্ডওয়্যার দোকানে জমা দিয়েও নির্মাণ সামগ্রী পাচ্ছেন না। অন্যদিকে, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের তরফে ধরপাকড় শুরু হতেই বালি তোলা বন্ধ। অন্যদিকে বালি থাকলেও ভয়ে ব্যবসায়ীরা বালি দিচ্ছেন না। ফলে ইট ও বালি দুইই অমিল।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ