নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: আবাসে প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন উপভোক্তারা। রাজ্য সরকারের এই টাকায় ‘কাটমানি’ চাওয়ার অভিযোগ উঠল আইএসএফ পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীর বিরুদ্ধে। এখানেই অবশ্য শেষ নয়, টাকা না দিলে দ্বিতীয় দফার টাকা মিলবে না বলেও ‘হুমকি’ দিয়েছেন ওই নেতা। ঘটনাটি ঘটেছে দেগঙ্গার নুরনগর পঞ্চায়েত এলাকায়। বিহিত চেয়ে পঞ্চায়েত প্রধান, বিডিও এবং থানায় নালিশ জানিয়েছেন উপভোক্তারা। যদিও সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেছেন পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী।
Advertisement
দেগঙ্গার নুরনগর গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূলের দখলে। এখানকার মোহনপুর গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যা আইএসএফের মেহেরুন খাতুন। তাঁর স্বামী মহম্মদ কামরুজ্জামান স্ত্রীর হয়ে এলাকার কাজ তদারকি করেন। আর পাঁচটি গ্রামের মতো এই গ্রামের গরিব মানুষও আবাসের জন্য আবেদন করেছিলেন। ইতিমধ্যেই প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ঢুকে গিয়েছে। এই টাকা ঢুকতেই উপভোক্তাদের কাছ থেকে ‘কাটমানি’ দাবি করেছেন আইএসএফের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী। এমনটাই অভিযোগ। কামারুজ্জামান কারও কাছে ১০ হাজার, কারও কাছে তার থেকেও বেশি টাকা দাবি করছেন বলে অভিযোগ উপভোক্তাদের। টাকা না দিলে তিনি নাকি দ্বিতীয় কিস্তির টাকা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে উপভোক্তা তারাবানু বিবি বলেন, আইএসএফের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী তাঁকে বাড়িতে ডেকে ঘর তৈরির টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছেন। আরেক উপভোক্তা নুরবানু বিবি বলেন, ঘর তৈরির টাকা আসতেই মেম্বারের স্বামী এসে ১৫ হাজার টাকা চেয়েছেন। ওই টাকা নাকি অফিসারকে নাকি দিতে হবে! অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার পর ওই টাকায় আমরা ইমারতী সামগ্রী কিনেছি। এই টাকার ভাগ কাউকে দেব না।
এ প্রসঙ্গে নুরনগর পঞ্চায়েতের প্রধান নজরুল ইসলাম বলেন, কয়েকজন উপভোক্তা আমার কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন। আবাসের জন্য টাকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বারবার সতর্ক করেছেন কাটমানি যেন না দেওয়া হয়। আমরাও উপভোক্তাদের বলেছি, কেউ টাকা চাইলে পঞ্চায়েতকে জানাবেন। আমি বিষয়টি বিডিওকে জানিয়েছি। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আইএসএফ সদস্যার স্বামী মহম্মদ কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধি বলেই আমাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চলছে। এ নিয়ে দেগঙ্গার বিডিও ফাহিম আলম বলেন, সব পঞ্চায়েত প্রধানকেই বলা হয়েছে, কোনও উপভোক্তার কাছ থেকে কেউ টাকা চাইলে সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি অবগত করতে হবে। এই ক্ষেত্রেও বিষয়টি খতিয়ে দেখে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে নুরনগর পঞ্চায়েতের প্রধান নজরুল ইসলাম বলেন, কয়েকজন উপভোক্তা আমার কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন। আবাসের জন্য টাকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বারবার সতর্ক করেছেন কাটমানি যেন না দেওয়া হয়। আমরাও উপভোক্তাদের বলেছি, কেউ টাকা চাইলে পঞ্চায়েতকে জানাবেন। আমি বিষয়টি বিডিওকে জানিয়েছি। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আইএসএফ সদস্যার স্বামী মহম্মদ কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধি বলেই আমাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চলছে। এ নিয়ে দেগঙ্গার বিডিও ফাহিম আলম বলেন, সব পঞ্চায়েত প্রধানকেই বলা হয়েছে, কোনও উপভোক্তার কাছ থেকে কেউ টাকা চাইলে সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি অবগত করতে হবে। এই ক্ষেত্রেও বিষয়টি খতিয়ে দেখে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



