Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘জয়ের মার্জিন বাড়ান’ টার্গেট অভিষেকের, ডোমকল ও জলঙ্গিতে জনসভায় জনজোয়ার

জয়ের মার্জিন বাড়ান। নেতাদের টার্গেট বেঁধে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

‘জয়ের মার্জিন বাড়ান’ টার্গেট অভিষেকের, ডোমকল ও জলঙ্গিতে জনসভায় জনজোয়ার
  • ৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অভিষেক পাল, জলঙ্গি: জয়ের মার্জিন বাড়ান। নেতাদের টার্গেট বেঁধে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার জলঙ্গির সাদিখাঁরদিয়াড় বিদ্যানিকেতন গ্রাউন্ডের জনসভায়। ডোমকল ও জলঙ্গি বিধানসভার প্রার্থীকে নিয়ে জনসভা করেন অভিষেক। দুই আসনেই ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিততে হবে বলে নির্দেশ দেন অভিষেক। তিনি বলেন, এমন লোকেদের এবার লড়াই করার সুযোগ করে দিয়েছি, যারা ২৪ ঘণ্টা মানুষের কাজ করবে। যাতে আগামী দিন আপনাদের অসুবিধা না থাকে। আপনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীদের জেতান, ভারতীয় জনতা পার্টি এমনিতেই শেষ। ভারতবর্ষে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছে একমাত্র তৃণমূল। 

Advertisement

বিজেপি এবং বিজেপির দালালগুলির জামানত বাজেয়াপ্ত করার হুঁশিয়ারি দিয়ে অভিষেক বলেন, কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া মানে বিজেপির হাত শক্ত করা। সিপিএম কংগ্রেসকে দিয়ে ভোট নষ্ট করবেন না। অমিত শাহ, অধীর চৌধুরী, হুমায়ুন কবির ও মিমের নেতাদের একই লোক সিকিউরিটি দেয়। এদের সেটিং আলাদা। 
২০২১ সালের নির্বাচনে মুর্শিদাবাদে মাত্র দু’টি আসনে পরাজিত হয়েছিল তৃণমূল। অভিষেক এদিন জেলার মানুষকে কুর্নিশ জানিয়ে ২২-০ করার লক্ষ্য দিলেন নেতাদের। বিজেপির পাশপাশি অভিষেক সিপিএম এবং কংগ্রেসকে এক হাত নেন। তিনি বলেন, এখানকার মাটি সিপিএমের আদর্শে লাল ছিল না। সিপিএমের অত্যাচারে রক্তাক্ত হয়ে এখানকার মাটির লাল হয়েছিল। এখানে পরিবর্তন ঘটিয়ে আপনারা জোড়াফুল ফুটিয়েছিলেন। যে কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসার ঋণে আবদ্ধ করেছেন তাতে এখানকার ২২টি আসনে উন্নয়নের দায়ভার আমি কাঁধে তুলে নিলাম। মুর্শিদাবাদের ২২টি বিধানসভা কেন্দ্র আমার দায়িত্ব। উন্নয়নের সব দায়ভার আমার। 
নাম না করে এজেইউপি পার্টির হুমায়ুন কবিরকে তিনি ‘ডিম’ বলে সম্বোধন করেছেন।  বিজেপির কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভোট কাটোয়া হয়ে মিম এবং ডিম মুর্শিদাবাদ জেলায় জোট বেধেছে বলে কটাক্ষ করেন অভিষেক। করতালিতে ফেটে পড়ে গোটা সভাস্থল। 
অভিষেক বলেন, জলঙ্গিতে আমরা তরুণ শিক্ষাবিদ বাবর আলিকে প্রার্থী করেছি। মাত্র ন’ বছর বয়স থেকে তিনি শিক্ষকতা শুরু করেছেন। তিনি নিদর্শন স্থাপন করেছেন গোটা দেশে। তাঁকে আমরা কাজ করার সুযোগ দিয়েছি। তাঁর পাশাপাশি আমরা একজন শক্তপোক্ত প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবিরকে প্রার্থী করেছি। মুর্শিদাবাদ জেলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন। ডোমকল এবং জলঙ্গিতে এইদুই প্রার্থীকেই ৫০ হাজারের বেশি ব্যবধানে জেতাতে হবে। ২০২৪ সালে অনেকেই সিপিএম এবং কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন দিল্লিতে সরকার যদি আসে ভয়ের কিছু নেই। কিন্তু এখন ভাবার সময় এসেছে। এই নির্বাচন চতুর্থবার মমতাকে মুখ্যমন্ত্রীকে করার নির্বাচন। বিজেপির ‘বি’ টিম এবং ‘সি’ টিমকে ঝেঁটিয়ে বিদায় দেওয়ার নির্বাচন। যারা আপনার উপর অত্যাচার করে, আপনাদের হকের টাকা বন্ধ করেছে, তাদেরকে উত্তর দেওয়া এবং উচিত শিক্ষা দেওয়ার নির্বাচন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ