Bartaman Logo
১৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উম-পুনের ক্ষতিপূরণ নিয়ে ২৫০ কোটির দুর্নীতি, অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

২০২০ সালের উম-পুন ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে ২৫০ কোটির দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। বিস্তারিত পড়ুন।

উম-পুনের ক্ষতিপূরণ নিয়ে ২৫০ কোটির দুর্নীতি, অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ
  • ১৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: একের পর এক অভিযোগে বিদ্ধ ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে জাল সই কাণ্ড নিয়ে তদন্ত করছে সিআইডি। দিতে হয়েছে হাজিরাও। এবার আরও বড়ো অভিযোগ হল তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ২০২০ সালে উম-পুন ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আসা বাড়ি সারাইয়ের টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। 

Advertisement

ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের কৃপায় পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতির জনপ্রতিনিধিরা কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন। এমনই দাবি করলেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস। বিষ্ণুপুর ১ ও ২ ব্লকে যে অনিয়ম হয়েছে, তা নিয়ে শনিবার বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন ওই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা কেন্দ্রের পাঠানো টাকা পাননি। বিপুল অর্থ নয়ছয় হয়েছে। ডায়মন্ডহারবার লোকসভার অন্তর্গত প্রতিটি বিধানসভায় এই দুর্নীতি হয়েছে। সব মিলিয়ে টাকার অঙ্ক প্রায় ২৫০ কোটি, দাবি অভিজিৎবাবুর। শুরু হল বিষ্ণুপুর থানা দিয়ে, আগামী দিনে ডায়মন্ডহারবার লোকসভার প্রত্যেক থানায় অভিযোগ হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। পুলিশ সুপারকে সিট গঠন করে তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন ওই নেতা।
রাজনৈতিক মহলের দাবি, নিজেরই এক সময়ের শক্ত ঘাঁটিতে এখন সাঁড়াশি চাপের মুখে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বিভিন্ন জায়গায় দায়ের হচ্ছে অভিযোগ। এদিন ক্ষতিপূরণের টাকা নয়ছয় সংক্রান্ত যাবতীয় নথি থানায় জমা দিয়েছেন ওই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, একই ফোন নম্বরে ৬-৭ জন টাকা পেয়েছেন। একই অ্যাকাউন্টে ৭-৮ জনের টাকা ঢুকেছে। এমনকি একই পরিবারের ১০-১১ জনও আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন। অথচ, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা সাহায্য পাননি। ক্ষতিগ্রস্তদের যে তালিকা তৈরি করে দেখানো হয়েছিল, তাতে প্রত্যেকটি নামের পাশে লেখা রয়েছে ‘রেকমেন্ডেড বাই অভিষেক ব্যানার্জি’। আদতে কেউই সেই টাকা পাননি। ফলে এই ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া দরকার বলে জানান অভিজিৎবাবু। তবে শুধু তৃণমূল সাংসদ নয়, অভিযোগপত্রে নাম রয়েছে তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা শাসক, দুই ব্লকের বিডিও এবং প্রধান উপপ্রধান সহ একাধিক জন প্রতিনিধির নাম।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ