নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কসবায় কাউন্সিলার সুশান্ত ঘোষের উপর হামলার মূল চক্রী মহম্মদ আদিল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হল কলকাতা বিমানবন্দর থেকে। রবিবার সকালে আবুধাবি থেকে কলকাতা ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিসের জালে পড়ে এই অভিযুক্ত। বিহারের ডন পাপ্পু চৌধুরী গ্যাংয়ের ডান হাত বলে পরিচিত আদিল সুশান্তকে নিকেশের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে আবুধাবিতে পালিয়ে যায়। কলকাতা থেকে ইস্যু হওয়া পাসপোর্ট নিয়েই সে বিদেশে চলে গিয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু কীভাবে সে পাসপোর্ট জুটিয়েছিল, তা জানার চেষ্টা হচ্ছে।
Advertisement
কসবায় সুশান্ত ঘোষের উপর হামলার ঘটনার তদন্তে নেমে লালবাজারের কর্তারা জানতে পারেন, এর পিছনে রয়েছে পাপ্পু চৌধুরীর গ্যাং। গুলশন কলোনির বাসিন্দা গুলজার, ফুলবাবু সহ একাধিক দুষ্কৃতী ধরা পড়ে। তাদের জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, পাপ্পু গ্যাংয়ের হয়ে গোটা বিষয়টি দেখভাল করছিল বিহারের জামুইয়ের বাসিন্দা আদিল। সে নিজে শার্প শ্যুটার। পাপ্পু ৫০ লক্ষের সুপারি নেওয়ার পর আদিলকে দায়িত্ব দেয়। বিহারের এই কুখ্যাত মাফিয়া কলকাতায় এসে গুলজারকে সঙ্গে নিয়ে এলাকা রেকি করে যায়। এরপর শ্যুটারদের বাছাই করে সে। তাদের কলকাতায় নিয়ে এসে সমস্ত কিছু বুঝিয়ে দেয়। সুশান্তকে নিকেশ করতে যে আগ্নেয়াস্ত্র আনা হয়েছিল, সেটি ফুলবাবু পেয়েছিল আদিলের কাছ থেকে। এগুলি ফুলবাবু কলকাতায় নিয়ে এসে গুলজারের বাড়িতে রেখেছিল। সমস্ত কিছু চূড়ান্ত করে ঘটনার কয়েকদিন আগে সে পালিয়ে যায় আবুধাবিতে, যাতে ঘটনায় তার কোনও ভূমিকা প্রমাণ করা না যায়।
তদন্তে জানা যায়, বিহারে দশটির বেশি খুনের মামলা রয়েছে আদিলের বিরুদ্ধে। এই অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে থাকছিল। অপরাধের খাতায় নাম থাকায় বিহার থেকে সে পাসপোর্ট করাতে পারছিল না। কলকাতায় সুপারির বরাত পাওয়ার পর সে গুলজারকে বলে পাসপোর্টের ব্যবস্থা করে দিতে। গুলজার গুলশন কলোনির ঠিকানায় আদিলের জাল নথি তৈরি করে দেয়। এরপর দালাল ধরে বিহারের ওই দুষ্কৃতীর পাসপোর্ট বানিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে কোনও নথি যাচাই হয়নি। ওই পাসপোর্ট ব্যবহার করে সে পালায় আবুধাবিতে। তার পাসপোর্টের নম্বর নিয়ে দেশের সমস্ত বিমানবন্দরে লুক আউট করা হয়। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় আদিল কলকাতায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। সেইমতো রবিবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনো মাত্র তাকে আটক করে অভিবাসন দপ্তর। সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে লালবাজার। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জেনেছেন আবুধাবিতে বিহারের পাপ্পু গ্যাংয়ের কয়েকজন লুকিয়ে রয়েছে। সেখানে বসে তারা বিভিন্ন অনলাইন গেমিং চক্র চালাচ্ছে। তাদের কাছে আশ্রয় নিয়েছিল। কলকাতার কেউ আদিলের কাছ থেকে বন্দুক চালানোর প্রশিক্ষণ নিয়েছে কি না, ধৃতকে জেরা করে জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।
তদন্তে জানা যায়, বিহারে দশটির বেশি খুনের মামলা রয়েছে আদিলের বিরুদ্ধে। এই অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে থাকছিল। অপরাধের খাতায় নাম থাকায় বিহার থেকে সে পাসপোর্ট করাতে পারছিল না। কলকাতায় সুপারির বরাত পাওয়ার পর সে গুলজারকে বলে পাসপোর্টের ব্যবস্থা করে দিতে। গুলজার গুলশন কলোনির ঠিকানায় আদিলের জাল নথি তৈরি করে দেয়। এরপর দালাল ধরে বিহারের ওই দুষ্কৃতীর পাসপোর্ট বানিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে কোনও নথি যাচাই হয়নি। ওই পাসপোর্ট ব্যবহার করে সে পালায় আবুধাবিতে। তার পাসপোর্টের নম্বর নিয়ে দেশের সমস্ত বিমানবন্দরে লুক আউট করা হয়। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় আদিল কলকাতায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। সেইমতো রবিবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনো মাত্র তাকে আটক করে অভিবাসন দপ্তর। সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে লালবাজার। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জেনেছেন আবুধাবিতে বিহারের পাপ্পু গ্যাংয়ের কয়েকজন লুকিয়ে রয়েছে। সেখানে বসে তারা বিভিন্ন অনলাইন গেমিং চক্র চালাচ্ছে। তাদের কাছে আশ্রয় নিয়েছিল। কলকাতার কেউ আদিলের কাছ থেকে বন্দুক চালানোর প্রশিক্ষণ নিয়েছে কি না, ধৃতকে জেরা করে জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।



