


সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলা পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এক কিশোরী কেরলে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে গিয়েছিল। সেখানেই কর্মক্ষেত্র থেকে তার বাসস্থানে ফেরার সময় সে অপহৃত হয়। অভিযোগ, গণধর্ষণও করা হয় তাকে। দু’দিন নিখোঁজ থাকার পর বুধবার তার হদিশ পাওয়া যায়। কেরল পুলিস তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এখন তাকে হোমে রাখা হয়েছে।
ভয়াবহ ঘটনাটি জানার পরই হস্তক্ষেপ করেছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁরই উদ্যোগে মেয়েটিকে তার মহেশতলার বাড়িতে ফেরানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ওই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তৃণমূল দলের পর্যবেক্ষক শুভাশিস দাস এবং স্থানীয় কাউন্সিলার দীপিকা দত্ত। সাংসদের নির্দেশে এদিন রাতে বিমানে কেরলে রওনা হয়েছে কাউন্সিলারসহ ছ’জনের একটি দল। সঙ্গে গিয়েছেন নির্যাতিতার মামা। এছাড়া মহেশতলা থানার পুলিসও গিয়েছে। আজ, শুক্রবার সকালে তাদের কালিকটে পৌঁছনোর কথা।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেক আগে থেকেই নির্যাতিতার মা, দিদা এবং দাদু ওখানে কাজ করতে গিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে এই মেয়েটিও সেখানে যায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই সে সেখানে থাকত। মেয়েটি কাজ করত একটি মলে। ১৮ আগস্ট জ্বর অনুভূত হওয়ায় দুপুরের পর ছুটি নিয়ে সে তার ঘরে ফিরছিল। সেইসময়ই রাস্তায় তাকে অপহরণ করা হয় বলে পুলিস অভিযোগ পেয়েছে। এরপর দু’দিন সে নিখোঁজ ছিল। ২০ আগস্ট তাকে অচৈতন্য অবস্থায় পুলিস উদ্ধার করে।
শুভাশিস দাস বলেন, ‘সাংসদের নির্দেশে আমাদের টিম রওনা হয়েছে। নির্যাতিতা ও তার পরিবারের পাশে আমরা আছি।’