Bartaman Logo
১৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

ভাবতে বাধ্য করে যে নাটক

‘মধ্যমগ্রাম দর্পণ’ নাট্যসংস্থার প্রযোজনায় সদ্য গিরিশ মঞ্চে আয়োজিত হয়েছিল নাটক ‘নাই বা হলো কূলে যাওয়া’।

ভাবতে বাধ্য করে যে নাটক
  • ১৪ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

• ‘মধ্যমগ্রাম দর্পণ’ নাট্যসংস্থার প্রযোজনায় সদ্য গিরিশ মঞ্চে আয়োজিত হয়েছিল নাটক ‘নাই বা হলো কূলে যাওয়া’। রচনা, নির্দেশনা ও অভিনয়ে অমিতাভ দত্ত। গল্পের পটভূমি হিসাবে উঠে আসে বাঁকুড়া জেলা এবং সেখানকার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের আবেগ-উচ্ছ্বাস, ব্যথা-বেদনার কথা। চারপাশে আমিত্বের আস্ফালনের বিপরীত স্রোতে হাঁটা মানুষ, ডাক্তার দেবরাজ ঘোষ। তিনি তাঁর স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রেখেছেন মননে। বিজ্ঞানী জেবিএস হ্যালডেন যে সামাজিক আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, সেই আন্দোলনে সকলকে সামিল করতে ডাক্তার, তুহিনরা অঙ্গীকারবদ্ধ। তাঁদের লক্ষ্য মৃত্যু-পরবর্তী মানবদেহ দান আন্দোলন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। মানবদেহ দানের মূল প্রতিপাদ্যকে ঘিরে নাটকটি আবর্তিত হয়েছে। স্বাধীনতার এত বছর পরেও কি আমরা সত্যি-সত্যিই সমাজের অন্ধবিশ্বাস দূর করতে সক্ষম হয়েছি, ভাবায় এই নাটক। এছাড়াও এই নাটকের ঘটনা পরম্পরায় সামাজিক দায়িত্ববোধ ও সমাজ মনস্কতার পরিচয় পাওয়া যায়। একজন নিঃস্বার্থ সমাজসেবী চিকিৎসক দেবরাজ ঘোষের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তপন রায়, জীবন চরিত্রে ছিলেন অমিতাভ দত্ত। ডাক্তারের স্ত্রী নন্দিনীর ভূমিকায় চৈতালি সরকার। ফাদার চরিত্রে অভিনয়ে ছিলেন দেবাশিস দত্ত। এছাড়াও অভিনয়ে ছিলেন শুভজিৎ দাস, দেবস্মিতা বিশ্বাস, অরূপ রায়, অরুন্ধতী দত্ত প্রমুখ। সকলেই নিজের ভূমিকায় অনবদ্য। নাট্যমঞ্চে কয়েকটি ব্লক বা রস্ট্রামের নানা মাত্রিক বিন্যাসে বিশ্বাসযোগ্যতা পেয়েছে মঞ্চ ভাবনা। মঞ্চ নির্মাণের দায়িত্বে ছিলেন মদন হালদার। আলো করেছেন সৈকত মান্না। আবহ কৌশিক সজ্জন, আবহ প্রক্ষেপণ ও দৃশ্যকল্প নির্মাণ কৃশানু বন্দ্যোপাধ্যায়। রূপসজ্জা সমীর ঘোষের। প্রত্যেক শিল্পীর কাজ আলাদা মাত্রা দিয়েছে নাটককে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ