Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজীবন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, মমতার আশ্বাসে উলুধ্বনি মুখরিত সভাস্থল

‘আজীবন মিলবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মাধ্যমে মহিলারা স্বাবলম্বী হবে।’ শনিবার রঘুনাথপুর বিধানসভার ইনানপুর হাটতলা ময়দানের জনসভায় এমনটাই জানালেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আজীবন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, মমতার আশ্বাসে উলুধ্বনি মুখরিত সভাস্থল
  • ২৯ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সজল মণ্ডল, রঘুনাথপুর: ‘আজীবন মিলবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মাধ্যমে মহিলারা স্বাবলম্বী হবে।’ শনিবার রঘুনাথপুর বিধানসভার ইনানপুর হাটতলা ময়দানের জনসভায় এমনটাই জানালেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই আশ্বাসে সভাস্থলে উপস্থিত মহিলারা দিদি, দিদি বলে চিৎকার করতে থাকেন। উলুধ্বনিতে মুখরিত হয় সভাস্থল। এদিন তৃণমূলনেত্রী ইনানপুর হাটতলা ময়দানের মঞ্চে উঠতেই মহিলাদের উলুধ্বনি দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। মায়েদের প্রণাম জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য শুরু করেন। সভায় বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী, জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বান্দোয়ানের প্রার্থী রাজীব লোচন সোরেন, রঘুনাথপুরে তৃণমূল প্রার্থী হাজারি বাউরি, পাড়া বিধানসভার প্রার্থী মানিক বাউরি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূলনেত্রী বলেন, নির্বাচনের ইস্তেহারে আমরা যা বলি সরকার গঠনের পর তা করে দেখাই। বিজেপির মতো আমরা ভাঁওতা দিই না। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা বৃদ্ধি আমরা করেছি। বলে দিয়েছি, সারাজীবন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবে। শুধু তাই নয়, ব্যবসার জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা বিশেষ সুবিধা পাবে। নিজেদের তৈরি জিনিস বিক্রির জন্য শপিংমলের আদলে বিপণিকেন্দ্র খুলে দেওয়া হবে। সেখানেই মহিলারা স্টল বিনামূল্যে পাবেন। সেই স্টল থেকে তাঁরা নিজেদের তৈরি জিনিস বিক্রি করতে পারবেন। 

Advertisement

এরপরই বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, যদি কেউ বলে আমরা করব, তারা ভোটের সময় বলবে, কিন্তু পরে করবে না। কিন্তু, আমরা একমাস আগেই করে দিয়েছি। এখন সাধারণ মহিলারা দেড় হাজার, মানে বছরে ১৮ হাজার টাকা পাচ্ছেন। আর তফসিলি জাতি এবং আদিবাসীদের জন্য ১৭০০ টাকা অর্থাৎ বার্ষিক ২০ হাজার ৪০০ টাকা দেওয়া হচ্ছে। লক্ষ্মী, সরস্বতী, সীতা, জাহানারা, বাউরি, বাগদি সকলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছে। এছাড়া বৃদ্ধ ভাতা, বিধবাভাতা দেওয়া হচ্ছে। মেয়েরা কন্যাশ্রী, রূপশ্রী পাচ্ছে। বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, পাঁচ বছর ধরে এলাকায় তো কিছু উন্নয়ন করেনি। ডাকাতের দল তৃণমূলকে কি না চোর বলে! যার একটা কান কাটা থাকে তার দুটো কান কাটার ভয় থাকে। বিজেপির তো দু’টো কানই কাটা। তাই মা বোনেরা ওদের ভোট দেবেন না। ওরা বাংলাকে উঠিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছে। বিজেপির চক্রান্ত রুখে দিয়ে সব ভোট জোড়া ফুলে দেবেন।
মহিলাদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এবার ভোট লুটের চক্রান্ত চলছে। সমস্ত অফিসারদের বদলি করে ভোট লুট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মহিলারাই একমাত্র ভোট লুট রুখতে পারে। তার জন্য মহিলাদের ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ, মাতঙ্গিনী হাজরা হতে হবে। আপনারা বাড়িতে রুটি করার জন্য যে বেলনা ব্যবহার করেন, ভোট লুট রুখতে প্রয়োজনে তা নিয়ে আন্দোলন করতে হবে।’ তাঁর বক্তব্যে সায় দিলেন মহিলারা।
এদিনের জনসভায় উপস্থিত সরস্বতী টুডু, ভারতী রায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের জন্য অনেক প্রকল্প এনেছেন। তিনি মহিলাদের জন্য সবসময় চিন্তা করেন। তাই মহিলারা দিদির পাশেই রয়েছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ