


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সন্দেশখালির বিজেপি শিবিরে ভাঙন ধরাল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার দুপুরে সন্দেশখালিতে একঝাঁক বিজেপি নেতা-কর্মী তৃণমূলে যোগ দিলেন। যাঁদের মধ্যে অন্যতম দুই মহিলা নেত্রী মানা সর্দার ও দীপালি মুকুলিয়া। তৃণমূলের দাবি, এই দুই নেত্রী চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির স্টার ক্যাম্পেনার ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সভায় মঞ্চের প্রথম সারিতে থাকতেন।
গত লোকসভা নির্বাচনের আগে একাধিক ইস্যুতে ত্তপ্ত হয়ে ওঠে সন্দেশখালি। মহিলারা এলাকায় বিদ্রোহ শুরু করেন। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে চব্বিশের বৈতরণী পার হতে চেয়েছিল পদ্ম শিবির। সেই মতো সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে বসিরহাট লোকসভার লোকসভার প্রার্থী করেছিল বিজেপি। শুধু তাই নয়, রেখা পাত্রর সঙ্গে প্রতিবাদী হিসাবে লড়াই করা একাধিক মহিলাকে ২৪ সালের ভোটের স্টার ক্যাম্পেনারও তৈরিও করেছিল তারা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মানা ও দীপালিদেবী। এদিন সন্দেশখালির বয়ারমারিতে দলীয় সভায় তাঁরা তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন। সঙ্গে কয়েকশ কর্মী বিজেপিতে যোগ দিলেন বলেই জানিয়েছে তৃণমূল। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী, বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি বুরহানুল মোকাদ্দিম (লিটন), বিধায়ক সুকুমার মাহাত সহ অন্যান্যরা। এ নিয়ে লিটন বলেন, মানা ও দীপালিরা বিজেপির ভোটের প্রচারক ছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে অমিত শাহর সভায় তারা মঞ্চ আলোকিত করে বসে থাকতেন। ওরা ভুল বুঝতে পেরে আমাদের দলে যোগ দিয়েছেন। বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা যুব সভাপতি পলাশ সরকার বলেন, ভয় দেখিয়ে ওদের যোগদান করানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা তেমন ভাবিত নই। সন্দেশখালির মানুষ বিজেপির পক্ষে আছে ও থাকবে।