


ঢাকা, ১১ মার্চ: সরকার বিরোধী বিক্ষোভ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনার দেশত্যাগ। মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠা— গত বছরের জুলাই থেকে টালমাটাল পদ্মাপারের রাজনীতি। তার মধ্যেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। খবরে প্রকাশ, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে বিদ্রোহের ছক করেছিলেন আইএসআই ঘনিষ্ঠ এক অফিসার। সেনাপ্রধান পদ থেকে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে সরিয়ে দেশের ক্ষমতা দখলের লক্ষ্য ছিল তাঁর। এই চক্রান্তে দোসর ছিল ‘মুক্তযুদ্ধ বিরোধী অপশক্তি’ জামাত-ই-ইসলামি। কিন্তু সেখবর ফাঁস হয়ে যায়। অভিযুক্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়জুর রহমানকে ইতিমধ্যে নজরবিন্দি করা হয়েছে।
খবরে প্রকাশ, সেনা মহলে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়জুর রহমান একজন পাক সমর্থক অফিসার হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি জামাতের সঙ্গেও সখ্য রয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, চলতি মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে গুরুত্বপূর্ণ ডিভিশনাল কমান্ডারদের (জিওসি) বৈঠকের জন্য ডেকেছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়জুর। এই বৈঠকের কথা গোপন করা হয়। কিন্তু সূত্র মারফত সেখবর পেয়ে যায় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সচিবালয়। সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে সতর্ক বার্তা পাঠানো হয় শীর্ষ আধিকারিকদের কাছে। তাতেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায় ফয়জুরের।
সূত্রের খবর, গত কয়েক মাস থেকেই চক্রান্তের জাল সাজাচ্ছিলেন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর এই পদস্থ কর্তা। গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের কূটনীতিক ও জামাত নেতাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন তিনি। সেখবর সেনাপ্রধান ওয়াকারের কানে চলে যায়। তাঁর নির্দেশে ফয়জুরের উপরে নজরদারি শুরু করে বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই।