Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কোচবিহার জেলায় ৯-এ ৯, শেষবেলায় আত্মবিশ্বাসী হিপ্পি

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের শেষদিনে কোচবিহার জেলার ৯টি আসনের মধ্যে ৯টি আসনেই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা কোচবিহার দক্ষিণের জোড়াফুলের প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক

কোচবিহার জেলায় ৯-এ ৯, শেষবেলায় আত্মবিশ্বাসী হিপ্পি
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়, কোচবিহার: বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের শেষদিনে কোচবিহার জেলার ৯টি আসনের মধ্যে ৯টি আসনেই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা কোচবিহার দক্ষিণের জোড়াফুলের প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক।

Advertisement

মঙ্গলবার কোচবিহার পুরসভার সামনে থেকে মিছিল শুরু করে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় যান তিনি। ব্যাপক জনসমাগম দেখেই আত্মবিশ্বাসী অভিজিৎ বলেন, কোচবিহারের ৯টি আসনেই তৃণমূল জয়লাভ করবে।  
নির্বাচন ঘোষণার অনেক আগে থেকেই কোমর বেঁধে জেলায় সংগঠনকে সাজাতে শুরু করে তৃণমূল। একেবারে নিচুতলায় সংগঠনকে শক্ত করে তারা নির্বাচনি প্রচারে নামে। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে অভিজিৎ নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে যেমন প্রচার চালান, তেমনই জেলার প্রায় সব বিধানসভাতেই দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে যান। এদিন প্রচারের শেষলগ্নে তিনি সকাল সকাল কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভার পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্রচারে সারেন। দুপুরে শুরু হয় তৃণমূলের মিছিল। বিধানসভা নির্বাচনের দু’দিন আগে শহরের ওপর এমন বিশাল মিছিল করায় স্বাভাবিকভাবেই এনিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। যা দেখে যথেষ্টই আত্মবিশ্বাসী দেখায় অভিজিৎ দে ভৌমিককে। 
তিনি বলেন, আমার কেন্দ্রের জন্য নির্বাচন কমিশন উত্তর প্রদেশ থেকে দু’জন করে পুলিশ অবজার্ভার দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পাশের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, অভিনেত্রী হেমা মালিনী এসেছেন। তাঁরা ভোটপাখি। কেউ আর আসবেন না। কোচবিহারের মানুষের সঙ্গে থাকব আমরা। শহরের মানুষের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। এবার শহর ফেরাবে না।
কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা আসন থেকে তৃণমূল যে অভিজিৎকে প্রার্থী করবে, তা অনেক আগে থেকেই স্পষ্ট ছিল। সেই কারণে তিনি একুশের ভোটে পরাজয়ের পর থেকে লাগাতার মাটি কামড়ে পড়ে থাকেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক আগেই কোচবিহার শহরকে হেরিটেজ শহর হিসাবে ঘোষণা করেছেন। সেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে অভিজিৎ যথেষ্ট পরিশ্রম করছেন। সেইসঙ্গে দলকে জেতানোর লক্ষ্যেও ছুটেছেন অবিরাম। এই সবকিছুর পিছনেই রয়েছে জেতার লক্ষ্য। কাল,বৃহস্পতিবার বিধানসভা নির্বাচন। তাই তার আগে প্রচারের শেষ পর্বেও যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী দেখা গেল তাঁকে।

সম্পর্কিত সংবাদ