Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তৃণমূল প্রার্থীকে জেতাতে সকাল থেকেই প্রচারে থাকছেন ৭৪ বছরের ‘যুবক’ অনন্ত

স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই বয়সেও বাড়িতে বসে থাকতে একদম ইচ্ছে করে না। সে কারণেই আমাদের প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসের রামমোহন রায়কে জেতাতে প্রত্যেকটি অঞ্চলে সকাল থেকেই ঘুরছি।

তৃণমূল প্রার্থীকে জেতাতে সকাল থেকেই প্রচারে থাকছেন ৭৪ বছরের ‘যুবক’ অনন্ত
  • ৫ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই বয়সেও বাড়িতে বসে থাকতে একদম ইচ্ছে করে না। সে কারণেই আমাদের প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসের রামমোহন রায়কে জেতাতে প্রত্যেকটি অঞ্চলে সকাল থেকেই ঘুরছি। প্রতিটি অঞ্চলে গিয়ে নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করছি। আর বয়স, সেটা তো কেবল সংখ্যা মাত্র। যতদিন শরীর দেবে ততদিন রাজনীতি করে যেতে চাই। শনিবার ময়নাগুড়ির দলীয় কার্যালয়ে বসে একথাই বললেন ময়নাগুড়ি বিধানসভার তৃণমূলের নির্বাচনী কমিটির চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন বিধায়ক ৭৪ বছরের ‘যুবক’ অনন্ত দেব অধিকারী। 

Advertisement

অনন্ত দেব ময়নাগুড়ি পুরসভার প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে অন্যান্য নেতাদের পাশাপাশি তিনিও প্রার্থীকে জেতাতে এতটুকুও মাটি ছাড়তে নারাজ। ময়নাগুড়ির এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত এই বয়সেও ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি। পুরনো নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বসছেন এবং আলোচনা করছেন। নির্বাচনের রণকৌশলও ঠিক করছেন। এলাকায় কেমন প্রচার চলছে, কর্মীদের সঙ্গে সেই বিষয় নিয়েও আলোচনা করছেন। 
অনন্তবাবু ময়নাগুড়িতে বহু পুরনো রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত কংগ্রেস ছিলাম। পরবর্তীতে ৭৮ সালে আরএসপি থেকে পঞ্চায়েত সমিতির টিকিট পেয়ে  জয়ী হই । ২০১১ সালে  বিধানসভার টিকিট পেয়েছিলাম আরএসপি থেকে।  জয়ী হয়ে বিধায়ক হই। ২০১৩ সালে তৃণমূলে যোগদান করি। পদত্যাগ করে যোগদান করেছিলাম। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে উপ নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলাম তৃণমূলের টিকিটে। ২০১৬ সালেও তৃণমূলের টিকিটের জয়ী হয়েছি। বর্তমানে ময়নাগুড়ি বিধানসভা নির্বাচনী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব আমি পেয়েছি। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সকল স্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছি। আমার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নিয়মিত জনসংযোগ করছি। বাড়িতে একেবারেই থাকতে ইচ্ছে করে না। কারণ ছোট থেকেই রাজনীতি করে আসছি। পার্টি অফিসে আসছি কথা বলছি সকলের সঙ্গে। এতেই আমার মন ভালো থাকে। এখনও কিছু লোকজন আমার বাড়িতে আসেন। তাঁদের কথা শুনি। যতদিন এই শরীর আমাকে চলার মত শক্তি দেবে ততদিন পর্যন্ত রাজনীতি করে যেতে চাই। 

সম্পর্কিত সংবাদ