দেরাদুন: উত্তরাখণ্ডে ফের টানেল বিপর্যয়। চামোলি জেলায় একটি নির্মীয়মাণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অংশ হিসাবে তৈরি করা হচ্ছিল টানেল। বৃহস্পতিবার হঠাৎই সেখানে ধস নামে। কাদা ও জলে ভরে যায় টানেলের প্রায় অর্ধেক অংশ। আটকে পড়েন ২২ জন শ্রমিক। রাতেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২২ জনের মধ্যে ১৯ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ তিন শ্রমিক। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
জানা যাচ্ছে, মৃতদের তালিকায় রয়েছে তেহরির প্রদীপ সিং পাওয়ার, চামোলির মুকেশ, বিহারের দুলর্ভ শর্মা, ঝাড়খণ্ডের বিজয় হাঁসদা ও জিতেন্দ্র কুমার। লোকেশ্বর ও ভুবনেশ্বর নামের দুই শ্রমিকের বাড়ির খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ রয়েছেন ঝাড়খণ্ডের লুকাস টোপনো এবং ঝাড়খণ্ডের চেতন পোয়াম ও দেবনাথ। আটকে পড়া তিন শ্রমিককে উদ্ধার করতে লাগাতার অভিযান জারি রয়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, আইটিবিপি ও পুলিশ একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ‘লাগাতার বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা হচ্ছে। টানেলের ভিতরে জল জমছে। পাম্প করে সেই জল বার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ খতিয়ে দেখেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর উত্তরকাশীর সিল্কয়ারা-বারকোট টানেলের একাংশ ভেঙে আটকে পড়েছিলেন ৪১ জন শ্রমিক। প্রায় ১৭ দিনের চেষ্টায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়।