Bartaman Logo
১৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সাঁওতালডিহিতে টাওয়ার বসানোর প্রস্তাবে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা প্রতারণা

সাঁওতালডিহিতে টাওয়ার বসানোর প্রস্তাবে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা প্রতারণা
  • ১৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: সাঁওতালডিহি থানা এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়িতে মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারকেরা প্রায় ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে বলে অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনায় প্রতারণার শিকার হওয়া ব্যক্তি পুরুলিয়া সাইবার থানায় দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই ঘটনায় সাইবার থানার পুলিশ তদন্তে নেমে নদীয়া জেলার চাকলা এলাকা থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম সুবীর বিশ্বাস। বুধবার তাকে পুরুলিয়া জেলা আদালতে তোলা হয়। এবং ঘটনার পরবর্তী তদন্তের জন্য পুরুলিয়া সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ তাকে চার দিনের জন্য নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আর আরো কয়েকজন যুক্ত রয়েছে কিনা তার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রতারণার টাকা কোথায় গিয়েছে তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, সাঁওতালডিহি থানার উপরডি গ্রামের এক রাজমিস্ত্রির কাছে গত ৩ ফেব্রুয়ারি একটি ফোন আসে। ফোনে থাকা ব্যক্তি নিজেকে একটি মোবাইল টাওয়ার কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দেন। জানানো হয়, মোবাইল টাওয়ার নির্মাণের জন্য তিনি কি জমি দিতে ইচ্ছুক। জমি দিলে এককালীন ২৫ লক্ষ টাকা এবং জমির ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে ১৭ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়া একজনকে চাকরি দেওয়া হবে। পাশাপাশি আজীবন বিনামূল্যে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতারকদের পাতা ফাঁদে রাজমিস্ত্রি প্রলোভনে পড়ে পা দেন। এরপর কখনও অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, কখনও অফিসের বস পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অছিলায় ধাপে ধাপে টাকা আদায় করা হয়। ২৬ মে পর্যন্ত তিনি ৬ লক্ষ ৪৭ হাজার ৯৪৬ টাকা দেন। এরপরও ৮ জুন আবার ফোন করা হয়। অপারেটর রুম তৈরির জন্য তিন লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। তিনি বুঝতে পারেন প্রতারণা শিকার হয়েছেন। তাই ৯ জুন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
সাইবার থানার একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, প্রতারিত ব্যক্তি যে সমস্ত অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়েছিলেন সেই তথ্য ধরে তদন্ত শুরু হয়। পাশাপাশি যে মোবাইলগুলিতে কথা হত তার তথ্য জোগাড় করা হয়। ঘটনায় নদীয়ার যুবক সুবীরের জড়িত থাকার বিষয়টি সামনে আসে। ঘটনায় সুবীর একা নয়, আরো অনেকে জড়িত আছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ