Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আবেদন পড়ে ৫ হাজার, ঠিকাতে নাম ট্রান্সফার শুরু শীঘ্রই: ফিরহাদ

ঠিকা জমিতে নাম ট্রান্সফার বা নাম পরিবর্তন বা উত্তরাধিকার স্বত্ব মিলবে। প্রায় সাতবছর পর রাজ্য মন্ত্রিসভা এই সম্মতি দিয়েছে।

আবেদন পড়ে ৫ হাজার, ঠিকাতে নাম ট্রান্সফার শুরু শীঘ্রই: ফিরহাদ
  • ২৬ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঠিকা জমিতে নাম ট্রান্সফার বা নাম পরিবর্তন বা উত্তরাধিকার স্বত্ব মিলবে। প্রায় সাতবছর পর রাজ্য মন্ত্রিসভা এই সম্মতি দিয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে এবার ফের আবেদনপত্র নেওয়া শুরু হবে। কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, ছ’মাসের জন্য এই নাম বদলের সুযোগ দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই জারি হবে এই সংক্রান্ত এক নির্দেশিকা। সেক্ষেত্রে ১ মে থেকে নাম ট্রান্সফারের সুযোগ পাবেন ঠিকা থাকা নাগরিকেরা। এমন প্রায় পাঁচ হাজার নাম ট্রান্সফার সংক্রান্ত আবেদন পুরসভার ঠিকা কন্ট্রোলারের কাছে পড়ে রয়েছে। জানিয়েছেন মেয়র। 

Advertisement

এর আগে একাধিকবার ‘টক টু মেয়র’ অনুষ্ঠানে ঠিকা জমিতে নাম ট্রান্সফার বা লিগ্যাল হেয়ার হওয়ার জন্য আবেদন জানিয়ে ফোন আসে। অনেকের অভিযোগ ছিল, আবেদন করার পরেও জমির উত্তরাধিকার স্বত্ব মিলছে না। তখন মেয়র জানিয়েছিলেন, বিশেষ কারণে এই নাম ট্রান্সফারের বিষয়টি আটকে রয়েছে। তার জন্য নবান্নে তিনি তদ্বির করবেন। এই পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভা নতুন করে ঠিকা জমিতে উত্তরাধিকার স্বত্ব দেওয়ার জন্য নাম ট্রান্সফারের সুযোগ দিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুরকর্তারা জানাচ্ছেন, পূর্বপুরুষ মারা যাওয়ার পর অনেকেই সেই জমির উত্তরাধিকার স্বত্ব পাচ্ছিলেন না। নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন জানিয়েও ভুগছিলেন তাঁরা। নাগরিকরা সমস্যায় পড়েছিলেন। কারণ, তাঁরা পুরনো বাড়িতে উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারছিলেন না। এবার এই অনুমোদন পাওয়ার পর অনেকেই উপকৃত হবেন। 
অন্যদিকে মেয়র জানিয়েছেন, এবার থেকে শহরের বহু বস্তিকে ঠিকার আওতায় আনা হবে। তাতে, কোনও প্রোমোটার ইচ্ছে করলেই জমিতে বসবাসকারী গরিব মানুষকে উচ্ছেদ করতে পারবেন না। তবে এক্ষেত্রেও কিছু শর্ত রয়েছে। সমস্ত জমি যে ঠিকার আওতাভুক্ত হয়ে যাবে, তেমনটাও নয়। শহরে বস্তি রয়েছে ৩০৭৯টি। তার মধ্যে ১ থেকে ১০ নম্বর বরোর কমবেশি ২৭০০ বস্তিকে ঠিকা হিসেবে ধরা হবে। কোনও বস্তি যদি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন হয়, তাহলে সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে সেটা ঠিকার আওতার বাইরে রাখা যাবে, তেমন সুযোগও থাকছে। শহরের সমস্ত ওয়ার্ডের বস্তিগুলির উপরে ফের সমীক্ষা করতে পুর কাউন্সিলাররা যেন সাহায্য করেন, এদিন মেয়র এই আর্জি রেখেছেন। কারও কাছে কোনও তথ্য থাকলে তা বস্তি বিভাগে পাঠাতে বলেছেন তিনি। 

সম্পর্কিত সংবাদ