Bartaman Logo
৩০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

একমাসে সাড়ে ৪ কেজি মাদক উদ্ধার, ফাঁসিদেওয়ায় ব্রাউন সুগার সহ ফের গ্রেপ্তার মালদহের যুবক

বুধবার ফাঁসিদেওয়ার ঘোষপুকুরে এসটিএফের অভিযানে মাদক সহ গ্ৰেপ্তার হয়েছে এক যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম মহম্মদ নুর। সে মালদহের জামালপুরের বাসিন্দা।

একমাসে সাড়ে ৪ কেজি মাদক উদ্ধার, ফাঁসিদেওয়ায় ব্রাউন সুগার সহ ফের গ্রেপ্তার মালদহের যুবক
  • ৩০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: বুধবার ফাঁসিদেওয়ার ঘোষপুকুরে এসটিএফের অভিযানে মাদক সহ গ্ৰেপ্তার হয়েছে এক যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম মহম্মদ নুর। সে মালদহের জামালপুরের বাসিন্দা। 

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সূত্র মারফত খবর পেয়ে ওই এলাকায় ওত পেতে বসে থাকে এসটিএফের শিলিগুড়ি শাখার টিম। মালদহ থেকে শিলিগুড়িগামী সন্দেহজনক একটি ছোট গাড়ি আসতেই দাঁড় কারানো হয়। পরে তল্লাশি চালালে চালকের আসনে বানানো গোপন চেম্বার থেকে ৩০৫ গ্রাম ব্রাউন সুগার উদ্ধার হয়। পরে অভিযুক্তকে ফাঁসিদেওয়া থানার হাতে তুলে দেয় এসটিএফ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জেনেছে, উদ্ধার মাদক শিলিগুড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ধৃতকে আজ, বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হবে। কোথায় মাদক হাতবদল হত, কার হাতে তুলে দেওয়া হত, এসব নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ। 
প্রসঙ্গত, ১৩ জুলাই ঘোষপুকুরে এসটিএফের অভিযানে কোটি টাকার মাদক সহ মালদহের দুই যুবক গ্রেপ্তার হয়েছিল। ওই ঘটনায় গাড়ির দরজায় গোপন চেম্বার বানিয়ে ন’টি প্লাস্টিকের প্যাকেট থেকে ৯২৯ গ্রাম ব্রাউন সুগার উদ্ধার হয়েছিল। ওই ঘটনায় রাজীব শেখ ও রশিদুল শেখ নামে দুই যুবক গ্রেপ্তার হয়। তার আগে ৬ জুলাই নকশালবাড়ির রথখোলাতে এসটিএফের অভিযানে তিন কেজি ব্রাউন সুগার সহ মালদহের মিজানুল শেখ ও নাসিম শেখ গ্রেপ্তার হয়েছিল। গত এক মাসে এসটিএফের অভিযানে প্রায় সাড়ে চার কেজি মাদক বাজেয়াপ্ত হল। গ্রেপ্তার হয়েছে পাঁচজন। 
এনিয়ে তদন্তকারী এক আধিকারিক বলেন, মূলত মালদহ থেকে এই অঞ্চলে মাদকের কনসাইন্টমেন্ট আসছে। পরে তা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি সহ নেপালে চলে যাচ্ছে।  
 বিবাদে জখম ভাগ্নে: পারিবারিক বিবাদের জেরে ভাগ্নের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ উঠল মামার বিরুদ্ধে। মামার ধারালো অস্ত্রের কোপে রক্তাক্ত ভাগ্নে। বুধবার দুপুরে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর রামপুর গ্রামের ঘটনা। জখম সুশান্ত রায় বর্তমানে কুশিদা সু-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন। 
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুশান্ত ও তাঁর মামার বাড়ি পাশাপাশি। দীর্ঘদিন ধরে সীমানা নিয়ে দুই পরিবারের বিবাদ চলছিল। বুধবার মাটি সরানো নিয়ে দু’জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেসময় সুশান্তকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারার চেষ্টা করে তাঁর মামা। সরে গেলে সুশান্তর হাত ও পায়ে কোপ লাগে। এতে রক্তাক্ত হন সুশান্ত। হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ না হলেও বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ