


হামিরপুর: পাঁচ দিন ধরে যমে-মানুষে টানাটানি। শেষপর্যন্ত নারকীয় অত্যাচারের যন্ত্রণা আর সহ্য করতে পারলেন না ৪০ বছরের মহিলা। হিমাচলে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় শনিবার হাসপাতালে মৃত্যু হল নির্যাতিতার। গত ৩ নভেম্বর হিমাচলপ্রদেশের হামিরপুরের গ্রামে এক চাষের খেতে তাঁর উপর চড়াও হয়েছিল মাত্র ১৪ বছরের কিশোর। মহিলাকে টেনে নিয়ে গিয়ে সে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে। আর তাতে বাধা দেওয়ায় ওই মহিলাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধরের পর কাস্তে দিয়ে কোপায় ওই নাবালক। গ্রামবাসীরাই মহিলাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হামিরপুর মেডিকেল কলেজে ভরতি করেছিলেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চণ্ডীগড়ের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু
অবস্থার অবণতি হওয়ায় তাঁকে চণ্ডীগড়ের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না।
এদিকে এই ঘটনায় অভিযুক্ত নবম শ্রেণির ছাত্রকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি ভাঙা পেনসিল ও স্কেল উদ্ধার হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, নির্যাতিতার শরীরে এগুলি দিয়ে খোঁচানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোর যে যৌন নির্যাতনের জন্যই ওই মহিলার উপর চড়াও হয়েছিল, সে ব্যাপারে তাঁরা নিশ্চিত।
ঘটনার দিন ওই মহিলা জমিতে ঘাস কাটছিলেন। তখনই ওই কিশোর তাঁকে ধরে টেনে নিয়ে যায়। মহিলা বাধা দিতে গেলে তাঁর উপর অত্যাচার চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মহিলার একটি বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ছেলে রয়েছে। তাকে নিয়েই তিনি থাকতেন। মহিলার মৃত্যুতে হামিরপুরজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।