সুকান্ত বসু, কলকাতা: পুজো দোরগোড়ায়। দুর্গার পুজোয় পদ্মফুল লাগেই লাগে। সে কারণে এখন থেকেই ফুল মজুত শুরু করে দিয়েছেন ফুল ব্যবসায়ীরা। জানা গিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন হিমঘরে এখনই মজুত করা হয়ে গিয়েছে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার পদ্মফুল।
সুকান্ত বসু, কলকাতা: পুজো দোরগোড়ায়। দুর্গার পুজোয় পদ্মফুল লাগেই লাগে। সে কারণে এখন থেকেই ফুল মজুত শুরু করে দিয়েছেন ফুল ব্যবসায়ীরা। জানা গিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন হিমঘরে এখনই মজুত করা হয়ে গিয়েছে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার পদ্মফুল।
আর কিছুদিনের মধ্যে হিমঘর থেকে বিপুল পরিমাণ পদ্ম পৌঁছবে কলকাতার জগন্নাথঘাট ফুলবাজারে। ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছে পদ্মফুল। শনিবার মহালয়া। ওই দিন থেকে খুচরো ব্যবসায়ীরা শহরের পাইকারি বাজার থেকে পদ্ম কেনা শুরু করবেন। এবছর পদ্মের ফলন ভালো হয়েছে। আশা, পুজোর সময় ঘাটতি থাকবে না। সারা বাংলা ফুলচাষি ও ফুল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণচন্দ্র নায়েক জানান, এখন থেকেই ফুলের বাজার চড়তে শুরু করেছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পুজোয় ফুল বিক্রি বেশি হবে। দুর্গার পুজো পদ্ম না হলে সম্পন্নই হয় না। কারণ সন্ধিপুজোতে দরকার ১০৮ পদ্মের। তাই বাড়ি কিংবা সর্বজনীন সব জায়গাতেই পদ্মের দরকার। এবার সাধ্যের মধ্যেই থাকবে পদ্মর দাম।
ফুলবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুজোতে অপরাজিতা ফুলেরও প্রয়োজন। অপরাজিতার ডাল দিয়ে বাঁধা হয় কলাবউ। এবার বিভিন্ন জেলায় অপরাজিতার ফলনও ভালো। ফলে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। ফুল ব্যবসায়ী অতুল সামন্ত বলেন, ‘কোথাও কোথাও দুর্গাকে পদ্মের মালা পরানো হয়। পুজোয় দুর্গার চরণেও নিবেদন করা হয়। নারায়ণ শিলাতেও অর্পণ করতে হয় শ্বেতপদ্ম। ফলে চাহিদা তুঙ্গে ওঠে।’ ফুলচাষি সঞ্জয় সাঁতরা বলেন, ‘এবার জেলাগুলির নদীনালা ও জলাশয়ে পদ্ম চাষ ভালো হয়েছে। রেলপথের ধারে নয়নজুলিতেও ভালো পরিমাণ পদ্ম জন্মেছে। সে কারণে দুর্গাপুজো থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত আকাল হবে না।’ শহরে ফুলগাছ নিয়ে যাঁরা নিত্য চর্চা করেন। অজস্র ফুল ফোটান সেই সেরকম দু’জন হলেন অমিতাভ সাধুখাঁ ও সত্যরঞ্জন দলুই। তাঁরা বলেন, ‘এখন অনেকেই বাড়িতে পদ্ম চাষ করেন। অনেকে বাড়িতে ফোটা পদ্ম দিয়ে নিত্যপুজো করেন।’