Bartaman Logo
২৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হুগলির ৩ নেতা ঋতব্রতর ‘তৃণমূল’ বৈঠকে, তরজা

হুগলির ৩ নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে হাজির। তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ তরজায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘণীভূত হচ্ছে। বিস্তারিত পড়ুন।

হুগলির ৩ নেতা ঋতব্রতর ‘তৃণমূল’ বৈঠকে, তরজা
  • ২৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: দুই প্রাক্তন জেলা সভাপতি, আর একজন শ্রীরামপুরের সাংসদের ঘনিষ্ঠ। এই তিনজনকেই সোমবার ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের বৈঠকে হাজিরা দিতে দেখা গিয়েছে। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই হুগলিতে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। জানা গিয়েছে, সোমবার তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ‘তৃণমূল’-এর জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। তৃণমূলের হুগলির প্রাক্তন জেলা সভাপতি তিনি। আবার বিদ্রোহীদের জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা পেয়েছেন। ছিলেন আরেক সদ্য প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা চাঁপদানির প্রাক্তন বিধায়ক অরিন্দম গুঁইন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ শ্রীরামপুরের দাপুটে নেতা সন্তোষ সিং (পাপ্পু)। 

Advertisement

অরিন্দমের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। সন্তোষ সিং জানিয়েছেন, তিনি তৃণমূলের বৈঠকে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, সদ্য রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নেওয়ার কথা প্রকাশ্যে জানালেও প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী হজির হয়েছিলেন ঋতব্রতদের বৈঠকে। তিনি বলেন, আমি সক্রিয় রাজনীতি করছি না। রাজনৈতিক চর্চাকার হিসাবে কাজ করব ঠিক করেছি। তাই সব দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়। সোমবার আমি বিধানসভায় বাজেটের তথ্য আনতে গিয়েছিলাম। আমার পুরানো সহকর্মী ফিরহাদ হাকিম (ববি), অরূপ বিশ্বাসরা ওখানে ছিলেন। আমি পাঁচ মিনিটের জন্য গিয়েছিলাম। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর সম্মান অটুট থাকবে। সন্তোষ সিং বলেন, তৃণমূলের বৈঠক ডাকা হয়েছে। তাই গিয়েছিলাম। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি বাদ রেখে অতীতেও রাজনৈতিক কর্মসূচি হয়েছে। গোটা ঘটনাকে নিয়ে তৃণমূলের বর্তমান হুগলি-শ্রীরামপুর জেলা সভাপতি অসিত মজুমদার বলেন, দলের তরফে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এনিয়ে কথা বলব। ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পরে হুগলির এক নেতাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল সাসপেন্ড করেছিল। হুগলি জেলা পরিষদের মেন্টর তথা চণ্ডীতলার নেতা সুবীর মুখোপাধ্যায়ের সাসপেশনের সেই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলেন অরিন্দম গুঁইন। সেই নেতা ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর বৈঠকে যাওয়া প্রসঙ্গে সুবীরবাবু বলেন, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে, আপাতত এইটুকুই বলব। বিজেপির হুগলি-চুঁচুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেন, ওটা তৃণমূলের নিজেদের বিষয়। এনিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।
নাগরিক মহলে অবশ্য এ নিয়ে অন্তহীন চর্চা চলছে। একদা দাপুটে নেতা কিসের খোঁজে ঋতব্রত-শিবিরমুখী হয়েছেন, তা নিয়েই বেশি চর্চা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ