Bartaman Logo
১৮ জুলাই, ২০২৬

অজিত-পত্নীকে এড়িয়ে ফড়নবিশের সঙ্গে বৈঠকে এনসিপির ২ শীর্ষ নেতা

মহারাষ্ট্রের এনসিপির দুই শীর্ষ নেতা ফড়নবিশের সঙ্গে বৈঠকে। অজিত-পত্নীকে এড়িয়ে বৈঠক নিয়ে জল্পনা চলছে। বিস্তারিত পড়ুন।

অজিত-পত্নীকে এড়িয়ে ফড়নবিশের সঙ্গে বৈঠকে এনসিপির ২ শীর্ষ নেতা
  • ১৮ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে কি নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে? ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) কি ফের ভাঙছে নাকি জুড়ে যাচ্ছে দুই শিবির? মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে পরপর তিনটি বৈঠক নিয়ে এমনই চর্চা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে যেমন অজিতপন্থী এনসিপির অভ্যন্তরীণ বিভেদ সামনে আসছে, তেমনই শারদ পাওয়ারের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়েও জল্পনা চলছে। বুধবার গভীর রাতে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে তাঁর বাসভবনে বৈঠক করেন অজিতপন্থী এনসিপির দুই শীর্ষ নেতা প্রফুল প্যাটেল ও সুনীল তাতকারে। ওই বৈঠক সম্পর্কে কিছুই জানতেন না এনসিপির সভানেত্রী তথা অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা। কেন তাঁকে এড়িয়ে ওই বৈঠক হল তা নিয়ে তাতকারে জবাব তলব করেছেন ক্ষুব্ধ সুনেত্রা। যদিও তাতকারের দাবি, তাঁরা উন্নয়ন নিয়ে কথা বলার জন্যই ফড়নবিশের কাছে গিয়েছিলেন। ওই বৈঠকের পরেই ফড়নবিশের সঙ্গে বৈঠক করেন অজিত-পুত্র পার্থ পাওয়ার। কী নিয়ে তাঁদের কথা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর মধ্যেই চমকে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ সিন্ধের সঙ্গে বৈঠক করেন শারদপন্থী এনসিপির অন্যতম শীর্ষ নেতা জয়ন্ত পাতিল। ক্ষমতাসীন জোটের একাধিক নেতার সঙ্গেও তিনি সম্প্রতি বৈঠক করেছেন। ফলে শারদের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিরোধী শিবিরের অন্দরেও জল্পনা চলছে।

Advertisement

বিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর পর এনসিপির মূল শিবিরের সভানেত্রী হিসাবে সুনেত্রাকে মনোনীত করা হয়। কিন্তু তাঁর নেত্রী হওয়া নিয়ে শুরু থেকেই দলের একাংশের ক্ষোভ ছিল বলে সূত্রের খবর। সম্প্রতি সুনেত্রার মনোনয়নের বিরোধিতা করে আইনি নোটিস পাঠান দলের জাতীয় সম্পাদক সচ্চিদানন্দ সিং। তাঁর অভিযোগ, দলের গঠনতন্ত্র মেনে সুনেত্রাকে মনোনীত করা হয়নি। এবার দলের নেত্রীকে এড়িয়ে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দলের নেতাদের বৈঠক বিতর্কের আগুন নতুন করে উসকে দিয়েছে। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রীর পদটি ফের নিজেদের দখলে নিতে চাইছে অজিতপন্থী এনসিপি। মৃত্যুর আগে অজিতই অর্থমন্ত্রী ছিলেন। তারপর ওই দপ্তর নিজের কাছে রেখেছেন ফড়নবিশ। এই নিয়ে সুনেত্রা নিজেও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেন।
তবে, শারদপন্থী জয়ন্ত পাতিলের সঙ্গে ফড়নবিশ ও সিন্ধের বৈঠক নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে। দুই এনসিপি এক হতে পারে বলে অজিতের মৃত্যুর পর থেকেই শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু সুনেত্রা নাকি তাতে রাজি নন। পাতিলের বৈঠকের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি বিজেপি জোটের সঙ্গে শারদের দলের নয়া সমীকরণ তৈরি হচ্ছে?

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ