Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রথম দশে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ১৮ ছাত্র

২০২০ সালের পর ২০২৬। আবার উচ্চ মাধ্যমিকে এক থেকে দশের মধ্যে জায়গা পেল নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ১৮ ছাত্র। রাজ্যের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে এই স্কুলের আদৃত পাল।

প্রথম দশে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ১৮ ছাত্র
  • ১৫ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ২০২০ সালের পর ২০২৬। আবার উচ্চ মাধ্যমিকে এক থেকে দশের মধ্যে জায়গা পেল নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ১৮ ছাত্র। রাজ্যের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে এই স্কুলের আদৃত পাল। ২০২৩ সালে প্রথম স্থান দখল করেছিল নরেন্দ্রপুর। তারপর এ বছর আবার দখলে রাখল প্রথম স্থানটি। এছাড়াও মাত্র এক নম্বরের জন্য দু-একজন মেধা তালিকায় জায়গা পায়নি। 

Advertisement

মোট ১২১ জন পরীক্ষা দিয়েছিল এই স্কুল থেকে। প্রত্যেকে ভালো নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ। এবছরের উচ্চ মাধ্যমিকে শুধুমাত্র সপ্তম বাদে প্রথম থেকে দশম স্থানে এই স্কুলের কোনো না কোনো ছাত্রের নাম রয়েছে। পড়ুয়াদের ফলাফলে সন্তুষ্ট শিক্ষকরা। প্রধান শিক্ষক ইশতেশানন্দ মহারাজ বলেন, ‘এদের মধ্যে মেধার উৎকর্ষতা ছিলই। সেটাই পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গিয়েছে। এআই যুগে মোবাইলের কবল থেকে দূরে থাকার ফলেই এতজন ছাত্র মেধা তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। ভবিষ্যতে হিউম্যানিটিজ এবং কমার্স থেকেও র‍্যাঙ্ক করলে ষোলকলা পূর্ণ হবে।’
প্রথম স্থান অধিকার করেছে আদৃত পাল। তার প্রাপ্তনম্বর ৪৯৬। যুগ্মভাবে দ্বিতীয় হয়েছে ঋতব্রত নাথ ও ঐতিহ্য পাছাল। তাদের প্রাপ্তনম্বর ৪৯৫। তৃতীয় স্থানে থাকা সৌম্য রায় পেয়েছে ৪৯৪। চতুর্থ স্থানে থাকা অর্কদ্যুতি ধরের প্রাপ্তনম্বর ৪৯৩। পঞ্চম স্থানে আছে দু’জন, প্রিয়াংশু মুখোপাধ্যায় এবং আলেখ্য মাইতি। তারা পেয়েছে ৪৯২ নম্বর। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে প্রত্যুষ মণ্ডল, শুভদীপ দিন্ডা, পল্লবকুমার ভাওয়াল এবং অনিমেষ মুখোপাধ্যায়। তারা পেয়েছে ৪৯১ করে নম্বর। কেউ সপ্তম হয়নি। অষ্টম স্থানে রয়েছে ফারহান আলি এবং অরিঘ্ন সরকার। তারা পেয়েছে ৪৮৯ করে নম্বর। নবম স্থান অধিকার করেছে সোহম বেজ। সে পেয়েছে ৪৮৮। দশম স্থান পেয়েছে চার ছাত্র। তাদের নাম, সোহম ভৌমিক, সৃজন পাল, সাগ্নিক ঘটক এবং মেঘান অধিকারী। তাদের প্রত্যেকে ৪৮৭ নম্বর করে পেয়েছে। এদের মধ্যে ১৭ জনের পিওর সায়েন্স সাবজেক্ট কম্বিনেশন। একজনের ইকনমিক্স, স্ট্যাটিসটিক্স এবং ম্যাথমেটিক্স কম্বিনেশন। বেশিরভাগ ছাত্রই বর্তমানে জয়েন্ট এন্ট্রান্সের (অ্যাডভান্সড) প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত। রবিবার হবে পরীক্ষা। 
ছাত্রদের অনেকের বাড়ি ভিন্ন জেলায়। তাই এদিন ফলপ্রকাশের পর  হাতে-গোনা কয়েকজন মাত্র স্কুলে এসেছিল। প্রধান শিক্ষক ও অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করে আশীর্বাদ নিয়ে গিয়েছে। নিয়মানুবর্তিতা এবং শিক্ষকদের অবদানের জন্যই সন্তানরা এতটা ভালো ফল করেছে উচ্চ মাধ্যমিকে, বক্তব্য অভিভাবকদের। এই ফলাফলের পর স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত স্কুলের শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, অভিভাবক এবং পড়ুয়ারা।

সম্পর্কিত সংবাদ