Bartaman Logo
৯ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বারুইপুর কাণ্ড: পিটিয়ে খুন, পুলিশকে আক্রমণ ও ভাঙচুরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৮

বারুইপুরে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার গুরুত্ব ও সরকারের অবস্থান জানুন। বিস্তারিত পড়ুন।

বারুইপুর কাণ্ড: পিটিয়ে খুন, পুলিশকে আক্রমণ ও ভাঙচুরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৮
  • ৯ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশকে মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর, রেললাইন উপড়ানো এবং পিটিয়ে খুনের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সূর্যপুর হাট সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকা থেকে এই ব্যক্তিদের ধরে বারুইপুর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার বারুইপুর এসপি অফিসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া অবস্থান ঘোষণা করার পরই ধরপাকড় শুরু হয়। ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হয় কারা সেদিন তাণ্ডবে জড়িত ছিলেন। তবে গ্রেপ্তারের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিকে, গণপিটুনিতে মৃত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের পরিবার সরকারের কাছে বিচারের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, কোনো কারণ ছাড়াই কিছু দুষ্কৃতী এসে ইন্দ্রজিতকে বাড়ি থেকে বের করে মারতে মারতে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে খুন করেছে। এই ঘটনার জন্য দায়ী আনন্দই বলে জানান মৃতের বাড়ির লোকজন। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই ইন্দ্রজিৎকে নিরীহ-নির্দোষ বলে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার সকাল থেকেই ধৃতদের বাড়ির লোকজনের ভিড় লেগেছিল বারুইপুর থানা ও কোর্ট চত্বরে। ধৃত আব্বাসউদ্দিনের স্ত্রী রূপা বিবি বলেন, যাঁরা গোলমাল করল, তাঁরা সব পালিয়ে গেল। আমার স্বামী সহ গ্রামের বহু পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওরা কিছু করেনি। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতভর অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করে ২০ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। তখন কেউ খেতে বসেছিলেন, কেউ বা শুতে যাচ্ছিলেন। এদিন আদালতে নিয়ে যাওয়ার আগে দফায় দফায় ধৃতদের ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাতে ঘটনার সঙ্গে দুজনের কোনো যোগ না মেলায় তাঁদের ছেড়ে দেয় পুলিশ। বাকিদের রুটিন মাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পর বারুইপুর আদালতে তোলা হয়। পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ১৮ জনের মধ্যে দু’জনের বিরুদ্ধে পিটিয়ে খুন, ন’জনের বিরুদ্ধে পুলিশকে মারধর ও সাত জনের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি নষ্টের মামলা রুজু হয়েছে। পিটিয়ে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের ন’দিন ও বাকিদের আটদিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ