নয়াদিল্লি: একই ব্যক্তি। কিন্তু ভিন্ন এপিক নম্বরে নাম রয়েছে বাংলা ও বিহার— দুই রাজ্যের ভোটার তালিকায়। ২৪ ঘণ্টা আগেই এমন একাধিক ‘সন্দেহজনক ভোটার’ নিয়ে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। ইতিপূর্বে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর গলায় এমনই ‘ভোটচুরি’ নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। আর এবার পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যের ভোটের ঠিক আগে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন স্বয়ং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের স্বামী অর্থনীতিবিদ পরকলা প্রভাকর। দুদিন আগে দিল্লিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর অভিযোগ, ২০২৪ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে রকেটের গতিতে প্রায় ১৭ লক্ষ ভোট নথিভুক্ত করা হয়েছে মধ্যরাতের পর। প্রতিটি ভোটদানে সময় লেগেছে মাত্র ৬ সেকেন্ড করে! কোন ‘জাদুবলে’ তা সম্ভব হল? ঘটনাচক্রে, দু’বছর আগে অন্ধ্রপ্রদেশের বিধানসভা ভোটে বিশাল জয় পেয়েছিল চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ শিবির। ১৭৫টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১৬৪টি আসনই তাদের ঝুলিতে যায়। কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বর্তমান সরকার টিকে রয়েছে যে দুই ‘ক্রাচে’ ভর দিয়ে, তার মধ্যে একজন চন্দ্রবাবু। সেই চন্দ্রবাবুর রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ফল নিয়ে নির্মলা সীতারামনের স্বামীর তোলা অভিযোগকে অবশ্য গুরুত্ব নিতে নারাজ কমিশন। যদিও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় দেশজুড়ে ভোটের ফলাফল ‘অডিটে’র দাবি তুলেছেন প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এস ওয়াই কুরেশি। প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের দাবি, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বুথে ভোটদানের হিসাব থাকা ১৭সি ফর্ম প্রকাশ্যে আনা এবং ভিভিপ্যাট স্লিপ গণনা বাধ্যতামূলক করা হোক।



