নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে সম্প্রসারণের সময় ধারে থাকা নয়ানজুলি বুজিয়ে নিকাশিনালা তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু এই মহাসড়ক মাটি থেকে সাড়ে তিন ফুট উঁচু হওয়ায় নর্দমার জল বেরনোর পথ নেই। ফলে একটু বৃষ্টি হলেই কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে থাকা বিভিন্ন গ্রাম-শহর ভেসে যাচ্ছে ওই জলে। সেই জল দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে, ঢুকছে গৃহস্থের ঘরে। সব থেকে সমস্যা বেশি ভাটপাড়া, বারাকপুর সহ কয়েকটি পুর এলাকায়। ইতিমধ্যেই ভাটপাড়া পুরসভা তাদের এলাকা থেকে জল বের করতে ৬৫ কোটি টাকা খরচ করে ছ’টি নিকাশিনালা তৈরি করছে। ওই নর্দমার গভীরতা আড়াই মিটার থেকে তিন মিটার। ওই নর্দমার মাধ্যমে জমা জল পদ্মা খাল, পাখি মারা খাল, সোনাই খালে গিয়ে পড়বে। খালের জল মিশবে বরতির বিলে। গোটা প্রকল্পের কাজ শেষ হতে আরও কয়েক মাস সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সমস্যা কিছু রয়েছে। মাটির নীচে পরিষেবার যে সমস্ত লাইন গিয়েছে, সেগুলিকে সরাতে হবে। যতদিন না এই কাজ শেষ হচ্ছে, ততদিন ভাটপাড়া পুর এলাকা সহ কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারের বাসিন্দারা জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন না।



