Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাঁশের কাঠামোয় টিনের দেওয়াল দিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এবার প্রায় ১০০ অতিরিক্ত অস্থায়ী বুথ

জেলায় প্রায় ১০০টি অস্থায়ী বুথ তৈরি করা হবে। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বুথে ১২০০-র বেশি ভোটার থাকবে না। সেই নিয়মের স্বার্থেই কিছু নতুন বুথ করতে হয়েছে।

বাঁশের কাঠামোয় টিনের দেওয়াল দিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এবার প্রায় ১০০ অতিরিক্ত অস্থায়ী বুথ
  • ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: জেলায় প্রায় ১০০টি অস্থায়ী বুথ তৈরি করা হবে। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বুথে ১২০০-র বেশি ভোটার থাকবে না। সেই নিয়মের স্বার্থেই কিছু নতুন বুথ করতে হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করে অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র গড়া হবে। শহরাঞ্চলের  বিধানসভাগুলিতে এই ধরনের অস্থায়ী বুথের সংখ্যা বেশি বলে জানা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে যেখানে জায়গার অভাব আছে, সেখানে স্কুলের মাঠে বা অন্যত্র বাঁশের কাঠামো এবং টিনের দেওয়াল দিয়ে বানানো হবে বুথ। ইতিমধ্যে এই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে অনেক জায়গায়। এমনিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ৮,৮৭৪টি বুথ আছে। তার সঙ্গে আরও প্রায় ৪০০ অতিরিক্ত বুথ হচ্ছে। এর মধ্যে এই শ’খানেক অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হবে। অন্যান্য বুথের মতো এখানেও একই পরিকাঠামো থাকবে। নির্দিষ্ট মাপ বলে দিয়েছে কমিশন। সেই মতো কাজ করছেন কর্মীরা। আলো, পাখা, বিদ্যুৎ সংযোগ থাকবে। ভোটের তিন-চারদিন আগে সর্বত্র এই বুথের নির্মাণ শেষ করার নিদান দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় অস্থায়ী বুথ করার প্রয়োজন পড়ছে না। কারণ, সেখানে জায়গার অভাব নেই। অনেক স্কুল, আইসিডিএস বিল্ডিং আছে। ফলে বিকল্পের অভাব নেই। কিন্তু টালিগঞ্জ, কসবা, বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, যাদবপুরের মতো শহুরে বিধানসভায় সেই সুযোগ কম। তাই একটি স্কুলে তিন থেকে চারটি বুথ করার পরও দেখা যাচ্ছে, আরও একটির প্রয়োজন আছে। তখন সেখানেই এই অস্থায়ী বুথ করতে হচ্ছে। যেমন, বেহালা পশ্চিমে শ্যামসুন্দরপল্লি অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দু’টি অস্থায়ী বুথ তৈরি হচ্ছে। বেহালা পূর্বে সরলতা দেবী অবৈতনিক প্রাথমিক স্কুলেও বাঁশ ও টিনের কাঠামো দিয়ে বানানো হচ্ছে অতিরিক্ত অস্থায়ী বুথ। এদিকে জানা গিয়েছে, বহু স্কুলে আপাতত মূল কাঠামো বানিয়ে প্রস্তুত রাখা হবে এখন। ভোটের কয়েকদিন আগে আলো, পাখা প্রভৃতি লাগানো হবে। এক আধিকারিকের কথায়, ‘এত আগে এসব লাগিয়ে দিলে চুরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া ঝড়বৃষ্টিতে ক্ষতিও হতে পারে। তাই পরিকাঠামো গড়ে নেওয়ার পর বাকি কাজ ভোটের ঠিক আগে সম্পন্ন করা হবে।’

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ