Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এবার পুজোয় ডুয়ার্সে বেড়াতে এসে মিলবে সোনার চায়ে চুমুকের সুযোগ!

এবার পুজোয় ডুয়ার্সে বেড়াতে এসে মিলবে সোনার চায়ে চুমুক দেওয়ার সুযোগ! অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন, চায়ে আবার সোনা এল কোথা থেকে?

এবার পুজোয় ডুয়ার্সে বেড়াতে এসে মিলবে সোনার চায়ে চুমুকের সুযোগ!
  • ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০১
Prefer us on Google

ব্রতীন দাস, জলপাইগুড়ি: এবার পুজোয় ডুয়ার্সে বেড়াতে এসে মিলবে সোনার চায়ে চুমুক দেওয়ার সুযোগ! অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন, চায়ে আবার সোনা এল কোথা থেকে? না, অবাক হওয়ার কিছু নেই। ডুয়ার্সেই এখন তৈরি হচ্ছে সোনার-চা! আমরা হয়তো অনেকেই জানি না, সোনা দু’ধরনের হয়ে থাকে। গয়না সোনা ও ‘এডিবল গোল্ড’ বা ভোজ্য সোনা। অর্থোডক্স চায়ের সঙ্গে সেই ভোজ্য সোনা মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে গোল্ড টি। যা পরখ করার সুযোগ পাবেন আপনিও!

Advertisement

আলিপুরদুয়ারের মাঝেরডাবরি বাগানের তৈরি ওই সোনালি চা শীঘ্রই পাড়ি দিচ্ছে ব্রিটেনে। যাচ্ছে দুবাইয়ে ওয়ার্ল্ড ট্রেড ফেয়ারে। তবে তার আগেই সোনার চায়ে চুমুক দেওয়ার সুযোগ পাবেন ডুয়ার্সে আসা পর্যটকরা। ইতিমধ্যে ওই চা পরখ করেছেন ফুটবল তারকা বাইচুং ভুটিয়া। রাজ্যের পর্যটন দপ্তরের সঙ্গে মাঝেরডাবরি চা বাগান কর্তৃপক্ষের চুক্তি হয়েছে। পর্যটকদের জন্য এক কাপ সোনার চায়ের দাম রাখা হয়েছে ৫০০ টাকা! তবে পুজোর সময় বেড়াতে আসা কিছু পর্যটককে নিখরচায় গোল্ড টি পরখ করার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওই চা বাগান কর্তৃপক্ষ।
ডুয়ার্সে যখন সোনার চা নিয়ে মাতামাতি, তখন পুজোয় উত্তরবঙ্গে বেড়াতে আসা পর্যটকদের মন কাড়তে প্রস্তুত জলপাইগুড়ির ‘চা কন্যা’ শ্যামশ্রী রায় কর্মকার। পুজো স্পেশাল হিসেবে তাঁর উদ্ভাবন, ‘ফিমেল টি’, ‘ওয়াইন টি’র পাশাপাশি বাঁশপাতার চা! চা-কন্যার দাবি, সকাল-সন্ধ্যা যাঁদের চা ছাড়া চলে না, তাঁদের তাক লাগিয়ে দিতে পারে রোজমেরি, রোসেল, গোলাপ, মৌরি, স্টিভিয়া ও মিন্টের সংমিশ্রণে প্রস্তুত এই ওয়াইন টি। তবে হট টি নয়, আইস টি হিসেবে খেতে বেশি ভালো লাগবে এই চা, বলছেন শ্যামশ্রী। চায়ের রং হবে একেবারে রেড ওয়াইনের মতো।
এক কাপ চা বলে দেয় কত না বলা কথা। ধোঁয়া ওঠা এক কাপ চায়ে খুলে যায় কত না জট। সেই চায়ে ফুলের সুগন্ধ জুড়ে তুফান তুলতে চাইছেন জলপাইগুড়ির চা-কন্যা। গোলাপের মন ভোলানো আমেজ, জবার উপকারিতা আর অপরাজিতার সতেজতা সবটাই মিলবে তাঁর তৈরি চায়ে। সেইসঙ্গে রোজমেরি আর মিন্টের যুগলবন্দিতে মন কাড়বে বাঁশপাতার চা, দাবি শ্যামশ্রীর।
মাঝেরডাবরি চা বাগানের জেনারেল ম্যানেজার চিন্ময় ধর বলেন, আমরা দু’ধরনের গোল্ড টি তৈরি করেছি। একটি রোজ গোল্ড টি, অন্যটি মিদাস গোল্ড টি। অর্থোডক্স চায়ের উপকারিতা তো আছেই, সঙ্গে ভোজ্য সোনা বাড়িয়ে দেবে শরীরের ইমিউনিটি। সোনার চায়ের কেজি এক লক্ষ টাকা। আমাদের দিল্লির আউটলেটে বিক্রি হচ্ছে। ডুয়ার্সের টি লাউঞ্জ থেকেও চলছে বিক্রি। বাগানে আমরা সোনালি চা তৈরি করে খাওয়ানোর ব্যবস্থা রেখেছি। ৪২ ধরনের চা রয়েছে আমাদের। সেই তালিকায় নবতম সংযোজন সোনার চা। পুজোয় পর্যটকরা এই চায়ে চুমুক দেওয়ার সুযোগ পাবেন। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ