ঘরের মধ্যেই কাঁপুনি থেকে বাঁচতে অনেকে হিটার ব্যবহার করছেন। তাতে আরামদায়ক অনুভূতি মিললেও কৃত্রিমভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের এই কৌশল সমস্যাও ডেকে আনছে।
ঘরের মধ্যেই কাঁপুনি থেকে বাঁচতে অনেকে হিটার ব্যবহার করছেন। তাতে আরামদায়ক অনুভূতি মিললেও কৃত্রিমভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের এই কৌশল সমস্যাও ডেকে আনছে।
হিটার ব্যবহারের ঝুঁকি: দীর্ঘসময় ধরে হিটার চললে ঘরের আর্দ্রতা ৩০ বা ৪০ শতাংশে, কখনও তারও নীচে নেমে যায়। এর জেরে আমাদের ত্বক ও চোখে জ্বালাভাব হতে পারে। এছাড়া গরম হাওয়া শ্বাসনালি দিয়ে শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে। পুরো পথটায় পাতলা মিউকাস মেমব্রেন থাকে। গরম হাওয়া শুষ্ক করে দিলে মিউকাস মেমব্রেন দুর্বল হয়ে যায়। প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে আসে। ইনফেকশন হতে পারে। পাশাপাশি, যাঁদের অ্যালার্জি বা অ্যাজমার সমস্যা আছে, তাঁদের নাক থেকে কাঁচাজল পরা, হাঁচি, কাশি বা অ্যাজমার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কিছু হিটারে ব্লোয়ার থাকায় ধুলোবালিও উড়িয়ে দেয়। পোষ্য থাকলে, তার রোমগুলিও উড়তে থাকে আর শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে। অ্যালার্জি বাড়তে পারে। বেশি হিটার ব্যবহারে মাথা ব্যথাও হতে পারে।
সাবধানতা: হিটারের থেকে আগুন ধরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই কাছে পর্দা, চাদর বা দাহ্যবস্তু না রাখাই ভালো। ব্যবহার করলে ঘরের জানলা একটু খুলে রাখুন। বদ্ধ ঘরে দীর্ঘক্ষণ হিটার চললে বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস তৈরি হতে পারে। এতে শ্বাসকষ্ট এমনকী ঘুমের মধ্যে মৃত্যুও হতে পারে। তাই রাতে হিটার চালিয়ে ঘুমবেন না। হাঁপানি বা হার্টের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হিটার ব্যবহার করুন।
লিখেছেন সুদীপ্ত সেন