Bartaman Logo
২৯ জুন, ২০২৬

ধ্বংসস্তূপে আটকে ১৬ ঘণ্টা, উদ্ধার উত্তরাখণ্ডের যুবক, চামোলির বিপর্যয়ে মৃত বেড়ে হল সাত

লাগাতার ভারী বৃষ্টি, বন্যা পরিস্থিতি। ভয়াবহ ভূমিধস। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাটি, পাথর আর কংক্রিটের স্তূপের নীচে চাপা পড়েছিলেন যুবক। অবশেষে ১৬ ঘণ্টা পর তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করলেন বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা।

ধ্বংসস্তূপে আটকে ১৬ ঘণ্টা, উদ্ধার উত্তরাখণ্ডের যুবক, চামোলির বিপর্যয়ে মৃত বেড়ে হল সাত
  • ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

চামোলি: লাগাতার ভারী বৃষ্টি, বন্যা পরিস্থিতি। ভয়াবহ ভূমিধস। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাটি, পাথর আর কংক্রিটের স্তূপের নীচে চাপা পড়েছিলেন যুবক। অবশেষে ১৬ ঘণ্টা পর তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করলেন বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা। শুক্রবার অবিশ্বাস্য এক ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তরাখণ্ডের চামোলির নন্দনগড় এলাকা। বৃহস্পতিবার ভয়াবহ ভূমিধস ও বন্যায় বিপর্যয় নেমে আসে উত্তরাখণ্ডের চামোলির নন্দনগড়ে। কুনতারি লাগা ফালি, কুনতারি লাগা সারপানি, সেরা ও ধ্রুমা নামের চারটি গ্রামে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে বেশ কয়েকজন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তাঁদের উদ্ধার কাজ শুরু করে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও পুলিশ। শুক্রবারও অব্যাহত ছিল উদ্ধার কাজ। এদিন বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা প্রথমে একটি মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে। তারপরেই খোঁজ মেলে ওই যুবকের। এই প্রসঙ্গে এক্স হ্যান্ডলে চামোলি পুলিশ লিখেছে, ‘নন্দনগড়ে জীবনের জয়। বিপর্যয়ের মধ্যেই আশার আলো, ১৬ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হল যুবককে।’ অন্যদিকে শুক্রবার চামোলির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্ধার হল আরও ৫টি মৃতদেহ। এই নিয়ে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল সাত। বিপর্যয়ে মোট ৪৫টি বাড়ি ও ১৫টি গোয়াল নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ