


বাগদাদ: পশ্চিম এশিয়ায় ফের ভেঙে পড়ল মার্কিন সামরিক বিমান। এবার ইরাকে। শুক্রবার ভারতীয় সময় মধ্যরাতে বাগদাদের আকাশসীমায় ভেঙে পড়ে কেসি-১৩৫ বিমানটি। মাঝআকাশে জ্বালানি ভরতে এই বিশেষ সামরিক বিমানটিকে ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনী। কীভাবে ভেঙে পড়ল সেটি? ইরানের দাবি, তেহরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলাতেই ধ্বংস হয়েছে কেসি-১৩৫। যদিও সেই দাবি অস্বীকার করেছে ওয়াশিংটন। তবে জানানো হয়েছে, বিমানে থাকা অন্তত ৬ জন মার্কিন সেনাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
১৯৫০-এর দশকে কেসি-১৩৫ নামের এই বিমানটি তৈরি করতে শুরু করে বোয়িং। বর্তমানে তিন শতাধিক কেসি-১৩৫ রয়েছে আমেরিকার হাতে। মাঝ আকাশে যুদ্ধবিমানে জ্বালানি ভরতে অন্যতম ভরসা এই বিমান। ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলেশন গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, পশ্চিম ইরাকে একটি যুদ্ধবিমানে জ্বালানি ভরছিল কেসি-১৩৫। তখনই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে তা ধ্বংস করেছে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘দ্য ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স’। হামলার দায় স্বীকার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটিও বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতেই ওই হামলা চালানো হয়।’
যদিও তেহরানের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন। আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ‘কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফটের ধ্বংস সম্পর্কে আমরা অবগত। বন্ধু ইরাকের আকাশসীমায় এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে থাকা দুটি বিমানের একটি নির্বিঘ্নে অবতরণ করেছে।’ বিমান ধ্বংসের পিছনে শত্রুপক্ষের হামলার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। পাশাপাশি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ফ্রেন্ডলি ফায়ারের সম্ভাবনাও। তাহলে কীভাবে ভেঙে পড়ল বিমানটি? সে সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। ইরান যুদ্ধের শুরুতেই আমেরিকার দুটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল কুয়েত। সেসময় আমেরিকা দাবি করেছিল, ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ারের’ কারণেই ভেঙে পড়েছে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলি।