Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬

বৃদ্ধি পেতে পারে বেকারত্ব, নতুন রোজগার প্রকল্পে গ্রামীণ অর্থনীতি নিয়ে চিন্তায় কেন্দ্র

কেন্দ্রীয় সরকার মহাত্মা গান্ধী জাতীয় রোজগার গ্যারান্টি প্রকল্পের নাম ও প্রকৃতি আমূল বদলে দিয়েছে। সরকার নয়া প্রকল্পের জয়গান গাইলেও, খোদ অর্থমন্ত্রক গ্রামীণ অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন।

বৃদ্ধি পেতে পারে বেকারত্ব, নতুন রোজগার প্রকল্পে গ্রামীণ অর্থনীতি নিয়ে চিন্তায় কেন্দ্র
  • ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকার মহাত্মা গান্ধী জাতীয় রোজগার গ্যারান্টি প্রকল্পের নাম ও প্রকৃতি আমূল বদলে দিয়েছে। সরকার নয়া প্রকল্পের জয়গান গাইলেও, খোদ অর্থমন্ত্রক গ্রামীণ অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন।

Advertisement

সংসদের অধিবেশন সমাপ্ত হওয়ার পর এবার অর্থমন্ত্রকের বাজেট প্রস্তুতি জোরদারভাবে শুরু হয়েছে। আর তাই মন্ত্রকের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে যে, এই নয়া আইন বদলের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে কতটা ধাক্কা আসতে চলেছে। বিশেষ করে নতুন আইন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার ৬০ দিন এই প্রকল্প বন্ধ রাখতে পারবে। মনে করা হচ্ছে, যখন ফসলের মরশুম চলবে অর্থাৎ কাজের চাহিদা কম থাকে, সেই সময় সীমায় এটি কার্যকর হবে। কিন্তু যদি তাই হয়, তাহলেও বেকারত্ব বাড়বে। কারণ ১০০ দিনের কাজ যতদিন ছিল ততদিন শুধুই যে খেতমজুর বা কৃষকরাই এই কাজের আবেদন করে জব কার্ড ইস্যু করত তা নয়। সারা বছর ধরেই কাজের আবেদন করে এরকম গ্রামীণ মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। পরিযায়ী শ্রমিকদের বিশেষত বড়সড় সঙ্কট আসতে পারে। তাই গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে অর্থমন্ত্রক জানতে চাইছে যে, এবার এই নতুন নাম নিয়ে আসা প্রকল্পের জন্য কত টাকা বরাদ্দ করা হবে। বিশেষত বিগত দুই আর্থিক বছরে একই অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে। ৮৬ হাজার কোটি টাকা করে। এবার সেই অর্থ বরাদ্দ সম্ভবত আরও কমে যাবে। কারণ এবার অর্থ বরাদ্দ কত হবে, সেটা স্থির করবে কেন্দ্র। এতদিন এই প্রকল্প ছিল দাবিভিত্তিক। অর্থাৎ যত আবেদন করা হবে, সেই অনুযায়ী অর্থ বরাদ্দ করা হবে। কারণ আইনে বলা হয়েছে, এই কাজের দাবি গ্যারান্টি। অর্থাৎ নিতেই হবে কাজ। এবার কিন্তু নতুন আইনে বলা হচ্ছে কোন রাজ্যে কোন মাসে কত বরাদ্দ হবে, সেটি স্থির করবে কেন্দ্র। তাই শুরুতেই অনেক বরাদ্দ প্রয়োজন হবে না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ