Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

গত বছরের তুলনায় এবছর দীপাবলিতে বাণিজ্য বেড়েছে ২৫ শতাংশ: সীতারামন

সাড়ে ৬ লক্ষ কোটি টাকার ক্রয়-বিক্রয় হয়েছে শুধু দীপাবলিতে। ভারতের অর্থনীতি যে কতটা চাঙ্গা, জিএসটি হ্রাসের পর এই পরিসংখ্যান তারই প্রমাণ।

গত বছরের তুলনায় এবছর দীপাবলিতে বাণিজ্য বেড়েছে ২৫ শতাংশ: সীতারামন
  • ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:১০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সাড়ে ৬ লক্ষ কোটি টাকার ক্রয়-বিক্রয় হয়েছে শুধু দীপাবলিতে। ভারতের অর্থনীতি যে কতটা চাঙ্গা, জিএসটি হ্রাসের পর এই পরিসংখ্যান তারই প্রমাণ। শুক্রবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স তাদের সমীক্ষায় জানাচ্ছে যে, গত বছরের তুলনায় এবার দীপাবলির বাণিজ্য এক ধাক্কায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। এবার কেনাকাটার পরিমাণ ৬ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকা। বিগত বছরে এই অঙ্ক ছিল ৪ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকা। এবার দীপাবলি বাণিজ্যের মধ্যে ৫ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকা শুধুমাত্র পণ্য বিক্রয়। পরিষেবা বাণিজ্য ৬৫ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়ে গিয়েছে। এসবই জিএসটি সংস্কারের কারণে। গাজিয়াবাদে  সিজিএসটি ভবন উদ্বোধন করে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এই পরিসংখ্যান কী প্রমাণ করে? এই সংখ্যার মাধ্যমে বার্তা পাওয়া যাচ্ছে, সামগ্রিকভাবে মানুষের হাতে ব্যয় করার মতো অর্থ আছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ জিএসটি হার কমে যাওয়া। কিন্তু একমাত্র কারণ নয়। তার সঙ্গে যোগ করতে হবে সামগ্রিকভাবে আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের ইতিবাচক প্রভাব। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, নিত্যপণ্য বিক্রি যেমন বেড়ে চলেছে, তেমনই গৃহসজ্জা, ভোগ্যপণ্য, জুতো, পোশাকের বিক্রি দীপাবলিতে সবথেকে বেশি হয়েছে। জিএসটি কমে যাওয়া সত্ত্বেও বহু নিত্যপণ্যের দামে হেরফের পাওয়া যায়নি বলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অভিযোগ এলেও অর্থমন্ত্রীর দাবি, ৭২ শতাংশ ব্যবসায়ী জানিয়েছে, জিএসটি হ্রাসের সম্পূর্ণ সুবিধাই তারা পেয়েছে। অর্থমন্ত্রীর আরও দাবি, সবথেকে ইতিবাচক বার্তা হল, ৫০ লক্ষাধিক অস্থায়ী কর্মসংস্থান হয়েছে। আর সেই কাজের সুফল একমাত্র গ্রামীণ ভারতও পেয়েছে। অর্থাৎ গ্রামীণ অর্থনীতি নিয়ে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল, সেটি কমে যাওয়ার একটি বার্তা তথা আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে সরকারের দাবি। প্রসঙ্গত গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে আবার বৃদ্ধি পাচ্ছে ১০০ দিনের কাজের চাহিদা। যার প্রত্যক্ষ অর্থ হল, শহরাঞ্চলে কাজের সুযোগ কমছে। সেই কারণেই গ্রামীণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও কমছে। কিন্তু অর্থমন্ত্রকের দাবি, দীপাবলি বাণিজ্য আলোকরেখার সন্ধান দিচ্ছে। অর্থাৎ গ্রামীণ ভারতও কেনাকাটা করেছে যথেষ্ট।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ