নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: এবার উদ্ধার দু’শো টাকার জাল নোট! বুধবার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বৈষ্ণবনগর থেকে প্রচুর পরিমাণ জাল নোট সহ গ্রেপ্তার দুই পাচারকারী। ধৃতদের নাম মনীশ পোদ্দার এবং পিন্টু কুমার। বাংলাদেশে ঘাটি গেরে থাকা জেহাদি সংগঠনগুলি এই নোট ছাপিয়েছে বলে পুলিস ও গোয়েন্দাদের সন্দেহ। এই কারবারে জেহাদি যোগে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মালদহের পুলিস সুপার প্রদীপকুমার যাদব জানান, দু'শো টাকার জাল নোট সহ দু'জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
Advertisement
মালদহ জেলায় হামেশাই পুলিসের জালে ধরা পড়েছে জাল নোট পাচারকারীরা। এতদিন পর্যন্ত তাদের থেকে মিলেছে ৫০০ টাকার জাল নোট। এবার তারা ২০০ টাকার জাল নোট পাচারে নেমে পড়েছে। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে কালিয়াচকের বৈষ্ণবনগর থানার টাউনশিপ পিটিএস মোড়ের কাছে নজরদারি শুরু করে পুলিস। সেই সময় দুই ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। পুলিস তাদের দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। পুলিসি জিজ্ঞাসাবাদে তারা অসংলগ্ন কথাবার্তা বলা শুরু করে। এরপর তাদের তল্লাশি নেয় পুলিস। তল্লাশি নেওয়ার সময় তাদের কাছে থাকা একটি ব্যাগ থেকে একএক করে দু'শোর টাকার ৪৯৮টি জাল নোট উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া জাল নোটের পরিমাণ ৯৯ হাজার ৬০০ টাকা।
গোয়েন্দাদের বক্তব্য, ৫০০ টাকার থেকে ২০০ টাকার নোটটা অনেক ছোট। যারফলে ১০০ এবং ২০০ টাকার নোট লেনদেন হলে মানুষ খুব একটা নজর দেন না। খুব সহজে বাজারে নোট ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই ২০০ টাকার নোট জাল করা হয়েছে। ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে চলা নানা অশান্তির জেরে বৈষ্ণবনগর সীমান্তে টহলদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ। যার জেরে সমস্যায় পড়েছে জাল নোট পাচারকারীরা। তারই মধ্যে ঘন কুয়াশার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সকলের চোখে ধুলো দিয়ে এপারে আসছে জাল নোট। যার সবটাই সীমান্তের ওপারে তৈরি হচ্ছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, এতদিন মালদহের কালিয়াচক থেকে ভারতীয় জাল পাঁচশো টাকার নোট উদ্ধার হত। যা ‘এ’ গ্রেডের জাল নোট ছিল। সহজে বা খালি চোখে ওই জাল নোট ধরা সাধারণ মানুষের পক্ষে কার্যত অসম্ভব ছিল।
কাজেই পাঁচশো টাকার নোট ব্যবহারের আগে প্রত্যেকেই যতটা সম্ভব নোটগুলি যাচাই করে নিতেন। কিন্তু দু'শো বা একশো টাকার নোটের ক্ষেত্রে সেই অর্থে নোট আসল না নকল তা যাচাই করা হয় না বললেই চলে। গত কয়েকমাসে মালদহ পুলিস ও এসটিএফ যৌথ অভিযান চালিয়ে কয়েক কোটি টাকার ভারতীয় জাল নোট উদ্ধার করেছে।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পাকিস্তান সহ ভারতবিরোধী রাষ্ট্রগুলি দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতি করার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে এই ব্যাপক পরিমাণ জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিসের লাগাতার ধরপাকড়ে এবার নজর ঘোরাতে পাঁচশোর পরিবর্তে দু'শোর জাল নোট ভারতের বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে তারা। যদিও সেই উদ্দেশ্য সফল হতে দেয়নি পুলিস।
গোয়েন্দাদের বক্তব্য, ৫০০ টাকার থেকে ২০০ টাকার নোটটা অনেক ছোট। যারফলে ১০০ এবং ২০০ টাকার নোট লেনদেন হলে মানুষ খুব একটা নজর দেন না। খুব সহজে বাজারে নোট ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই ২০০ টাকার নোট জাল করা হয়েছে। ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে চলা নানা অশান্তির জেরে বৈষ্ণবনগর সীমান্তে টহলদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ। যার জেরে সমস্যায় পড়েছে জাল নোট পাচারকারীরা। তারই মধ্যে ঘন কুয়াশার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সকলের চোখে ধুলো দিয়ে এপারে আসছে জাল নোট। যার সবটাই সীমান্তের ওপারে তৈরি হচ্ছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, এতদিন মালদহের কালিয়াচক থেকে ভারতীয় জাল পাঁচশো টাকার নোট উদ্ধার হত। যা ‘এ’ গ্রেডের জাল নোট ছিল। সহজে বা খালি চোখে ওই জাল নোট ধরা সাধারণ মানুষের পক্ষে কার্যত অসম্ভব ছিল।
কাজেই পাঁচশো টাকার নোট ব্যবহারের আগে প্রত্যেকেই যতটা সম্ভব নোটগুলি যাচাই করে নিতেন। কিন্তু দু'শো বা একশো টাকার নোটের ক্ষেত্রে সেই অর্থে নোট আসল না নকল তা যাচাই করা হয় না বললেই চলে। গত কয়েকমাসে মালদহ পুলিস ও এসটিএফ যৌথ অভিযান চালিয়ে কয়েক কোটি টাকার ভারতীয় জাল নোট উদ্ধার করেছে।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পাকিস্তান সহ ভারতবিরোধী রাষ্ট্রগুলি দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতি করার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে এই ব্যাপক পরিমাণ জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিসের লাগাতার ধরপাকড়ে এবার নজর ঘোরাতে পাঁচশোর পরিবর্তে দু'শোর জাল নোট ভারতের বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে তারা। যদিও সেই উদ্দেশ্য সফল হতে দেয়নি পুলিস।



