সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ২০০ টাকা না দিলে স্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে না। স্কুলের প্লাটিনাম জুবিলি অনুষ্ঠান হয়েছে। অভিযোগ, সেই অনুষ্ঠানের জন্য চাঁদা বাবদ ২০০ টাকা করে দিতে হবে। স্কুল কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার পরীক্ষার্থীরা স্কুলের গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। ঘটনাটি ঘটেছে জল্পেশ লক্ষ্মীকান্ত হাইস্কুলে। পড়ুয়াদের বিক্ষোভে একাংশ অভিভাবকও শামিল হন। স্কুল কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন বাসিন্দারাও। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের উপর কীভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষ টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ ঠিক নয়। কাউকে জোর করা হয়নি।
Advertisement
জল্পেশ লক্ষ্মীকান্ত হাইস্কুলে জানুয়ারিতে প্লাটিনাম জুবিলির অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। কিন্তু তারপর এক মাস পেরিয়ে গেলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ এখনও চাঁদা তুলছে। একাংশ অভিভাবকের অভিযোগ, প্লাটিনাম জুবিলির অনুষ্ঠানে কত টাকা খরচ হয়েছে সেটা এখনও পর্যন্ত স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়নি। নীতিশ অধিকারী নামে এক অভিভাবক বলেন, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে চরম অন্যায় শুরু করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের উপর কীভাবে তারা ২০০ টাকার জন্য চাপ দিচ্ছে? আমরা এর প্রতিবাদ করছি।
মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী রাকেশ রায়, মনোজ বর্মনরা বলেন, আমরা মাধ্যমিক দেব। অথচ ২০০ টাকা জমা না দিলে আমাদের অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। সে কারণেই আমরা প্রতিবাদ করে এদিন গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছি।
জলপাইগুড়ি জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বালিকা গোলে বলেন, কোনও অনুষ্ঠানের সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের অ্যাডমিট আটকে রাখা চরম অন্যায়। বিষয়টি আমরা দেখছি। স্কুলের টিআইসি গণেশচন্দ্র সরকার বলেন, স্কুলের প্লাটিনাম জুবিলির অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গিয়েছে। সেখানে প্রচুর টাকা খরচ হয়েছে। চাঁদার বিষয়টি নিয়ে এর আগেই আলোচনা হয়েছিল। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট আটকে রাখার অভিযোগ ভিত্তিহীন। স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি কার্তিকচন্দ্র রায় বলেন, যাদের সমস্যা, তাদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী রাকেশ রায়, মনোজ বর্মনরা বলেন, আমরা মাধ্যমিক দেব। অথচ ২০০ টাকা জমা না দিলে আমাদের অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। সে কারণেই আমরা প্রতিবাদ করে এদিন গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছি।
জলপাইগুড়ি জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বালিকা গোলে বলেন, কোনও অনুষ্ঠানের সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের অ্যাডমিট আটকে রাখা চরম অন্যায়। বিষয়টি আমরা দেখছি। স্কুলের টিআইসি গণেশচন্দ্র সরকার বলেন, স্কুলের প্লাটিনাম জুবিলির অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গিয়েছে। সেখানে প্রচুর টাকা খরচ হয়েছে। চাঁদার বিষয়টি নিয়ে এর আগেই আলোচনা হয়েছিল। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট আটকে রাখার অভিযোগ ভিত্তিহীন। স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি কার্তিকচন্দ্র রায় বলেন, যাদের সমস্যা, তাদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।



