আইটিসি সঙ্গীত রিসার্চ অ্যাকাডেমি আয়োজিত দু’দিনের এক মনোগ্রাহী ঠুমরি উৎসবের সাক্ষী থাকল কলকাতা। বেনারস ও পাটিয়ালা ঘরানার শিক্ষক, গুরু ও শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের উপস্থাপনায় শ্রোতারা মুগ্ধ। গিরিজাদেবীকে উৎসর্গ করে পালিত এই উৎসবের সূচনা হয় হাসান হায়দার খানের সানাইয়ের সুরে। এরপর আয়েশা মুখোপাধ্যায় তিনটি ঠুমরি পরিবেশন করেন। বড়ে গোলাম আলি এবং গিরিজা দেবীর গাওয়া ‘মিশ্র তিলঙ্গ, হোরি ঠুমরি’ ও ‘ইয়াদ পিয়া কি আয়ি’ গানটি গেয়ে শোনান ব্রজেশ্বর মুখোপাধ্যায়। শুভ্রা গুহর আত্মিক নিবেদনের বন্দিশি ঠুমরি, মিশ্র পিলু এবং মিশ্র খামাজ রাগে দাদরা উপস্থিত শ্রোতাদের আপ্লুত করে। গিরিজাদেবীর ছাত্রী মালিনী অবস্থি ঠুমরি, টপ্পা, দাদরা সহ নানা ধরনের গান দিয়ে শুরু করে ‘গঙ্গা রেতি’ দিয়ে শেষ করেন। দ্বিতীয় দিনে মৌপালি চৌধুরীর সুরেলা কণ্ঠে ঠুমরি, টপ্পা এবং নবীন প্রজন্মের শিল্পী সারজ গোদখিন্ডির বাঁশিবাদনে ঠুমরি, টপ্পা অনুষ্ঠানে অন্য মাত্রা আনে। শিল্পী রাগেশ্রী দাসের কণ্ঠে দাদরা, ঠুমরি এবং গিরিজাদেবীর উত্তরসূরি হিসেবে সুনন্দা শর্মার পরিবেশনা প্রশংসনীয়। তবলা ও সারেঙ্গীতে সঙ্গত করেন ঈশান ঘোষ, গোপাল মিশ্র, কুমার বোস, অশোক মুখোপাধ্যায়, দেবজিৎ পতিতুণ্ডি, পিনাকি চক্রবর্তী, রাম কুমার মিশ্র, দিলসাদ খান, আল্লা রাখা কালাভন্ত, সারোয়ার হোসেন।



