Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬

এবার ট্রেনের টিকিটে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সহ ‘অপারেশন সিন্দুর’, বিতর্ক

অপারেশন সিন্দুরের সাফল্যকে রাজনৈতিক প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে মোদি সরকার। রেলের টিকিটে অপারেশন সিন্দুরকে বিজ্ঞাপিত করে আদতে ভারতীয় সেনাবাহিনীকেই পণ্য হিসেবে তুলে ধরছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।

এবার ট্রেনের টিকিটে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সহ ‘অপারেশন সিন্দুর’, বিতর্ক
  • ২০ মে, ২০২৫ ২০:০৫

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুরের সাফল্যকে রাজনৈতিক প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে মোদি সরকার। রেলের টিকিটে অপারেশন সিন্দুরকে বিজ্ঞাপিত করে আদতে ভারতীয় সেনাবাহিনীকেই পণ্য হিসেবে তুলে ধরছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। সোমবার এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছে কংগ্রেস। এর আগে কোভিড সার্টিফিকেটে সময়ও মোদির ছবি থাকা নিয়ে ব্যাপক জলঘোলা হয়েছিল। এদিন মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা উমাঙ্গ সিংঘার সোশ্যাল মিডিয়ায় রেলের একটি ই-টিকিটের ছবি পোস্ট করেন। ভোপাল জংশন থেকে নাসিক রোড পর্যন্ত সিএসএমটি রাজধানী এক্সপ্রেসের ওই টিকিটে দেখা যাচ্ছে, অপারেশন সিন্দুরের সাফল্যের উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে যা লেখা রয়েছে, তার মার্মার্থ হল, অপারেশন সিন্দুর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এক নতুন পদক্ষেপের সূচনা করেছে। একটি নতুন যুগ, নিউ নর্মাল শুরু করা হয়েছে। দু’লাইনের ওই ছবির সঙ্গে দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবিও। তিনি স্যালুট করছেন। এই পুরো প্রক্রিয়ারই বিরোধিতায় সোচ্চার হয়েছে কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ‘ভারতীয় সেনাবাহিনীর যে গর্ব এবং ঐতিহ্য রয়েছে, তা একজনের রাজনৈতিক কেরিয়ার উজ্জ্বল করতে পণ্যের মতো বিক্রি করা হচ্ছে। অপারেশন সিন্দুর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কতটা বিজ্ঞাপন লোলুপ হয়ে উঠেছে, এটি তার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ। প্রধানমন্ত্রীর প্রচারের উদ্দেশে রেলের টিকিটে অপারেশন সিন্দুরকে ব্যবহার করা হচ্ছে।’ তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব বলেন, করোনা সময়কালের ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল। সেই সময় ভ্যাক্সিনের সার্টিফিকেটে নরেন্দ্র মোদি ছবি দিয়ে প্রচার করছিলেন। বিদেশ সংক্রান্ত স্পর্শকাতর এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত বলে আমি মনে করি।

Advertisement

কংগ্রেস নেতা উমাঙ্গ সিংঘার দাবি, ‘এর আগেও ভারতীয় সেনাবাহিনীর একাধিক সাফল্যকে ভোটপ্রচারে ব্যবহার করেছেন নরেন্দ্র মোদি।’ এই ব্যাপারে রেল বোর্ডের পক্ষ থেকে সোমবার রাত পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে রেলমন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিক বলেছেন, ‘এর মধ্যে বিতর্ক নেই। ভাকংগ্রেস জলঘোলা করছে।’

সম্পর্কিত সংবাদ